বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ই-বর্জ্য সংকট এবং সুশাসনের ঘাটতি

প্রকাশকাল: ২৩ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট থেকে কুমিরা পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে গড়ে উঠেছে বিশ্বের শীর্ষ জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প। বিশ্বের নানাপ্রান্তের বিশালাকার পরিত্যক্ত জাহাজ এখানে আনা হয় ভাঙার জন্য। দিনরাত কাজ চলছে। একদিকে কর্মসংস্থান, অন্যদিকে ব্যবসায়িক পসার, দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি! কিন্তু উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে পরিবেশ, এই শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাবের দিকটি। এই পুরনো জাহাজগুলোর ভেতরে শুধু যে লোহা বা ইস্পাত থাকছে, তা তো নয়, বরং দশকের পর দশক ধরে জমে ওঠা হাজারো বিপজ্জনক ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশও থাকে, যা মূলত ই-বর্জ্য। পুরনো রেফ্রিজারেটর, তার, ব্যাটারি ও অন্যান্য বিষাক্ত উপকরণে ভরা এই জাহাজগুলো একবার ভাঙা শুরু হলে, এই ই-বর্জ্য ঢুকে পড়ে ভাঙাড়ি ব্যবসায়। যেখানে কোনো ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই শ্রমিকরা খালি হাতেই এই বিপজ্জনক উপকরণগুলো নিয়ে কাজ করেন।

ই-বর্জ্য শুধু জাহাজভাঙ্গা শিল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরগুলোয় পুরোনো কম্পিউটার, ল্যাপটপ, এয়ার কন্ডিশনারসহ নানা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতির স্তূপ জমে উঠেছে। স্পষ্ট প্রশাসনিক নির্দেশনার অভাবে এগুলো নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। দৃশ্যমান এ সকল উৎসের বাইরে বিশাল পরিমাণ ই-বর্জ্যের উৎপাদনকারী হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের করণীয় রয়েছে। আমরা অনেকেই অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্যের ভবিষ্যৎ আর্থিক মূল্য রয়েছে মনে করে বাড়িতে জমিয়ে রাখছি। অথচ এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই পরিষ্কার ধারণা নেই! এক্ষেত্রে নীতিগত ব্যর্থতা ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার ঘাটতির পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান এই সংকটের সঙ্গে সাধারণ মানুষের আচরণের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

২১ মে ২০২৬ চট্টগ্রামে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত সেমিনারে সম্প্রতি প্রকাশিত “বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের উপায়” শীর্ষক গবেষণার ফলাফল ও সুপারিশ নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে উল্লিখিত মন্তব্যসমূহ উঠে এসেছে। টিআইবির পরিবেশ ও জলবায়ু অর্থায়ন বিভাগের কোঅর্ডিনেটর ড. নাবিল হকের সঞ্চলনায় রিসার্চ এসোসিয়েট আব্দুল্লাহ জাহিদ ওসমানি গবেষণার মূল ফলাফল ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ই-বর্জ্যের মাত্র তিন শতাংশ আনুষ্ঠানিক ও নিরাপদ পদ্ধতিতে পুনর্ব্যবহার হচ্ছে। বাকি ৯৭ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে অনিরাপদ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়া করা হয়, যা শ্রমিক ও পরিবেশ উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। টিআইবি মনে করে, বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বর্তমানে মারাত্মক নীতিগত দুর্বলতা ও প্রশাসনিক অরাজকতার মধ্যে রয়েছে।

এই ক্রমবর্ধমান সংকটের শিল্প-সংশ্লিষ্ট দিকটি তুলে ধরতে গিয়ে পিএইচপি শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধি লিটন মজুমদার বলেন, হংকং কনভেনশনের আওতায় পরিচালিত জাহাজভাঙা ইয়ার্ডগুলো এখন বিপজ্জনক উপকরণ নিরাপদে পরিচালনার জন্য কঠোর নিয়মকানুন মেনে চলছে। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, বর্ধিত উৎপাদক দায়িত্ব বা এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপন্সিবিলিটি (ইপিআর)-এর যথাযথ বাস্তবায়ন এখনো অনুপস্থিত। তার মতে, অনেক বিপজ্জনক ই-বর্জ্য শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে চলে যাচ্ছে, যাদের অধিকাংশের প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা বা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ নেই। জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে জড়িত সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইনকে প্রশিক্ষিত করা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আলোচনায় দেশে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অবকাঠামোর অভাবও উঠে আসে। কেএসআরএম গ্রুপের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলিমউদ্দিন একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি কেন্দ্রীয় ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ ও ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) প্রতিষ্ঠার আলোচনা প্রায় পনের বছর ধরে চলছে, তবু উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। এমন একটি সুবিধা না থাকায় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বছরের পর বছর ধরে নিজস্ব জমিতে বিপজ্জনক বর্জ্য সংরক্ষণ করতে বাধ্য হচ্ছে।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যখন অবকাঠামো ঘাটতি ও নীতি ব্যর্থতার মুখোমুখি, তখন সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকরা। ভাঙাড়ি সংগ্রহকারী ও বর্জ্য শ্রমিকরা প্রতিদিন খালি হাতে অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্য ভাঙছেন এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকির সংস্পর্শে আসছেন বলে মন্তব্য করেছে শ্রম অধিদপ্তরের মোহাম্মদ আব্দুস সাব্বির ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘ই-বর্জ্য শ্রমিকদেরকে অনানুষ্ঠানিক বর্জ্য শ্রমিকদের জন্য বিদ্যমান কল্যাণ কমিটির আওতায় আনতে হবে এবং ইলেকট্রনিক বর্জ্যের সংস্পর্শের ফলে সৃষ্ট রোগগুলো পেশাগত রোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রশাসনিক ঘাটতি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও স্পষ্ট। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক অংটি চৌধুরী বলেন, ‘সরকারি দপ্তরগুলোয় পুরনো কম্পিউটার, ল্যাপটপ, এয়ার কন্ডিশনার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি স্তূপ হয়ে জমে উঠছে। কারণ এগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট প্রশাসনিক নির্দেশনা নেই। সরকারি দপ্তরগুলোর ইলেকট্রনিক পণ্য ডাম্পিং প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান অকেজো যন্ত্রাংশ অনির্দিষ্টকাল ধরে গুদামে রেখে দিচ্ছে। সমস্যার মাত্রা সঠিকভাবে নথিভুক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।’ চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিসের কর্মকর্তা শাকিলা জান্নাত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জন্য পরিবেশ ও বর্জ্য-সংক্রান্ত একটি জরিপ পরিচালনার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। ‘বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় অনেক কর্তৃপক্ষ নষ্ট বা অব্যবহৃত ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম সম্পর্কে তথ্য দিতে অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের সম্পদের রেকর্ড কেন প্রকাশ করতে হবে? তার জরিপে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ৬০ শতাংশেরও বেশি স্বীকার করেছে যে, তাদের পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই।’

সেমিনারে অংশগ্রহণকারী সরকারি কর্মকর্তা, শিল্প প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকগণ বারবার একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য নির্ধারিত কাঠামো অকার্যকর রয়ে গেছে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বিপজ্জনক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২১ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলেও এর বাস্তবায়ন অত্যন্ত নাজুক। সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি জানান বিধিমালায় প্রয়োজনীয় নিবন্ধন কাঠামোর আওতায় উৎপাদক, আমদানিকারক ও পরিবেশকদের নিয়ে আসতে বিভাগটি এখনো দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

নীতিগত ব্যর্থতা ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতি ছাড়াও আলোচনায় বিদ্যমান সংকটের সঙ্গে সাধারণ মানুষের আচরণের গভীর সম্পর্কটিও উঠে আসে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম মাহি ব্যাখ্যা করেন যে, ‘অনেকে অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্য বাড়িতে রেখে দেন, কারণ তারা মনে করেন সেগুলোর এখনো আর্থিক মূল্য আছে। যেখানে দেশে সাধারণ বর্জ্যের সঠিক নিষ্পত্তিই একটি চ্যালেঞ্জ, সেখানে সাধারণ জনগণ ই-বর্জ্য পৃথক ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি করবে, এই প্রত্যাশা রাখাও দুরূহ।’

তবে আলোচনায় কিছু তৃণমূল উদ্যোগের কথাও উঠে আসে, যা এই বাস্তবতা বদলানোর চেষ্টা করছে। ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশনের (ইপসা) প্রতিনিধি অপূর্ব দেব জানান, তাঁর সংগঠন ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীদের শুধু সমস্যার অংশ হিসেবে না দেখে তাদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছে। তারা বর্জ্য শ্রমিকদের নিবন্ধনে সহায়তা, নিরাপদ আর্থিক লেনদেনের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবাতে অন্তর্ভুক্ত এবং প্রায় দুই হাজার বর্জ্য শ্রমিক তাদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিমার আওতায় এসেছে।

আলোচনায় দীর্ঘদিনের জনঅভ্যাস পরিবর্তনের কঠিন বাস্তবতাও উঠে আসে। সেমিনারে ঘাসফুল সংগঠনের প্রতিনিধি সাদিয়া রহমান বলেন, অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিও ই-বর্জ্য নিষ্পত্তিতে নিজেদের আচরণ পরিবর্তনে অনীহা দেখান। তিনি বিমানবন্দরে তার অভিজ্ঞতার কথা জানান। লিথিয়াম ব্যাটারির ঝুঁকির কারণে কর্তৃপক্ষ ল্যাপটপ চেক-ইন না করার অনুরোধ জানালে একজন বয়স্ক যাত্রী রেগে যান। বিপরীতে, তিনি মনে করেন এক্ষেত্রে শিশুদের অভ্যাসগত পরিবর্তন সহজতর হতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে শক্তিশালী পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি।

প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির বিষয়টিও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সচেতনতা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে যাদের কাঁধে রাষ্ট্র পরিচালনা ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব ন্যস্ত আছে, তারা কখনোই কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা এড়াতে পারেন না।’ তিনি বলেন, ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো সেই দায় নাগরিকদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পারে না। পুনর্ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে পরিচালিত হলে সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এই ক্রমবর্ধমান ই-বর্জ্য সংকটকে একটি সুযোগে রূপান্তরিত করতে পারে।’ ড. জামান নির্বাচন কমিশনের কেনা চার লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ‘এই যন্ত্রগুলো অকেজো হলে কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে, তার কোনো পরিকল্পনা সরকারি প্রতিষ্ঠানটির কাছে ছিল না। এই পরিস্থিতি সরকারি অর্থায়নে ক্রয় করা ইলেকট্রনিক পণ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে ব্যাপক ব্যর্থতার প্রতিফলন।’

দুর্বল বাস্তবায়ন এবং অনিয়ন্ত্রিত ই-বর্জ্যের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে একই উদ্বেগ জানান টিআইবির অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চট্টগ্রামের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মজুমদার। তিনি বলেন, ‘অসংগঠিত উপায়ে ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে, যা শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এই সংকট একই সঙ্গে নগর ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক নিরাপত্তারও সমস্যা। এক্ষেত্রে শুধু নীতি প্রণয়নই যথেষ্ট নয় বরং বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্ষম ও আন্তরিক হতে হবে।’

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ই-বর্জ্যের সংকট এখন আর কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয় বলে আলোচকরা একমত হন। বরং ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুশাসন ও জবাবদিহির প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। গুদামের দরজার আড়ালে, ভাঙাড়ির গলিতে বা ঘরের ড্রয়ারে এই সংকট আর লুকিয়ে রাখার সুযোগ নেই।


অন্যান্য ওয়েব স্টোরি