এসডিজি

এসডিজি ও টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি), বিশেষত লক্ষ্যমাত্রা ১৬, অর্জনে কাজ করছে যার মূল প্রতিপাদ্য "টেকসই উন্নয়নের জন্য শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠা, সকলের জন্য ন্যায়বিচারের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং সকল স্তরে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা"।

সুশাসনের জন্য সামাজিক জবাবদিহিতার ওপর গুরুত্বারোপ

টিআইবির কার্যক্রম এসডিজি ১৬-এর নিম্নলিখিত নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলোর ওপর জোর দেয়:

  • ১৬.৩: আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সকলের জন্য ন্যায়বিচারে সমান অভিগম্যতা নিশ্চিত করা
  • ১৬.৪: অবৈধ আর্থিক প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা, চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধার ও ফেরত আনার প্রক্রিয়া জোরদার করা
  • ১৬.৫: সকল প্রকার দুর্নীতি ও ঘুষ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস করা
  • ১৬.৬: সকল স্তরে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা
  • ১৬.৭: সকল স্তরে সংবেদনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং প্রতিনিধিত্বমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা
  • ১৬.১০: জনগণের তথ্যে অভিগম্যতা নিশ্চিত করা এবং মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা

কৌশলগত অগ্রাধিকারসমূহ

নিম্নলিখিত খাতগুলোতে এসডিজির সঙ্গে টিআইবি কৌশলগত অগ্রাধিকারের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করবে:

  • গবেষণা ও নীতিগত অধিপরামর্শ
  • তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে নাগরিক সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণ
  • বহুঅংশীজনভিত্তিক অংশীদারত্ব নিশ্চিত করার জন্য আউটরিচ ও কমিউনিকেশন কর্মসূচী পরিচালনা

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা লক্ষ্যে টিআইবির কার্যক্রম নিম্নলিখিত উন্নয়নমূলক অর্জনে অবদান রাখবে:

  • নির্দিষ্ট এলাকায় এসডিজি অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত সরকারি সেবার মান উন্নয়ন
  • দুর্নীতিবিরোধী আইন ও ব্যবস্থার প্রয়োগ জোরদার করা
  • সরকারি ও বেসরকারি খাতে নৈতিকতার চর্চা জোরদার করা

Leaving No One Behind

Leaving No One Behind-এই মূলনীতিকে কেন্দ্র করেই পথচলা অব্যাহত রেখেছে টিআইবি। এই নীতির আলোকে সংস্থাটি সমাজের প্রতিটি মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নকে নিশ্চিত করে। দুর্নীতিবিরোধী সংস্কার এবং জনগণের জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরার মাধ্যমে টিআইবি সকলের জন্য একটি অধিকতর শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই বিশ্ব বিনির্মাণে সচেষ্ট।

উপসংহার

টিআইবি বাংলাদেশে এসডিজি অর্জনে, বিশেষত অভীষ্ট ১৬-কে কেন্দ্র করে, তার নিজস্ব দক্ষতা ও জ্ঞান কাজে লাগাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। গবেষণা, অধিপরামর্শ, নাগরিক সম্পৃক্ততা এবং আউটরিচ ও কমিউনিকেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার ব্যবহার করে টিআইবি মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে এবং সকলের জন্য এক ন্যায়নিষ্ঠ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সঙ্গী হোন

কীভাবে যুক্ত হতে পারি?