প্রকাশকাল: ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
টিআইবি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে প্রতিষ্ঠান, আইন ও চর্চার উন্নয়নের মাধ্যমে জবাবদিহিতা বাড়ানো হয়। ১৯৯৬ সালে একটি ট্রাস্ট হিসেবে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৯৮ সালে টিআইবি নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। গবেষণা, জনসচেতনতা ও নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতি হ্রাস এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাই টিআইবির অঙ্গীকার।
টিআইবির প্রধান প্রকল্প হলো পার্টিসিপেটরি অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট করাপশন: টুওয়ার্ডস ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (প্যাক্টা)। প্রযুক্তির মাধ্যমে টিআইবির মূল অংশীজনদের কমিউনিটি অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করায় সাহায্য করা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
প্রকল্পের একটি বিশেষ দিক হলো টিআইবির নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ- প্যাক্টঅ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে থাকে। এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে টিআইবি দুর্নীতি শনাক্তকরণ, বিশ্লেষণ এবং প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, পাশাপাশি এটি টিআইবির অধিপরামর্শমূলক কার্যক্রম,, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
টিআইবি তিনটি মূল বিভাগ: গবেষণা, যোগাযোগ এবং নাগরিক অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
টিআইবি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে প্রতিষ্ঠান, আইন ও চর্চার উন্নয়নের মাধ্যমে জবাবদিহিতা বাড়ানো হয়। ১৯৯৬ সালে একটি ট্রাস্ট হিসেবে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৯৮ সালে টিআইবি নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। গবেষণা, জনসচেতনতা ও নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতি হ্রাস এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাই টিআইবির অঙ্গীকার।
টিআইবির প্রধান প্রকল্প হলো পার্টিসিপেটরি অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট করাপশন: টুওয়ার্ডস ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি (প্যাক্টা)। প্রযুক্তির মাধ্যমে টিআইবির মূল অংশীজনদের কমিউনিটি অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করায় সাহায্য করা এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
প্রকল্পের একটি বিশেষ দিক হলো টিআইবির নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ- প্যাক্টঅ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে থাকে। এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে টিআইবি দুর্নীতি শনাক্তকরণ, বিশ্লেষণ এবং প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, পাশাপাশি এটি টিআইবির অধিপরামর্শমূলক কার্যক্রম,, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
টিআইবি তিনটি মূল বিভাগ: গবেষণা, যোগাযোগ এবং নাগরিক অংশগ্রহণ এর মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।