দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

যখন সাংবাদিকরা আড়ালের গল্প খুঁজতে শেখেন

প্রকাশকাল: ২৩ আগস্ট ২০২৬

“অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কী?”

প্রশ্নটি ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল বরিশাল থেকে সাংবাদিকতা করা একদল অভিজ্ঞ সাংবাদিকের সামনে। তাঁদের কারও সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা ২০ বছরের, কারও ৩০, আবার কারও ৪০ বছর। প্রশ্নটি শোনার পর একে একে কয়েকজন হাত তুললেন।

একজন সাংবাদিক বললেন, কোনো বিষয়কে খুঁটিয়ে দেখা এবং গভীরভাবে প্রতিবেদন করাই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। আরেকজন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বললেন, কোনো সাংবাদিক যেখানে দুর্নীতির আমত পান এবং বিষয়টি আরও গভীরে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেন, তখনই তা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হয়ে ওঠে। কক্ষের আরেক প্রান্ত থেকে আরেকজন সাংবাদিক যোগ করলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলাও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিটি উত্তরেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার একটি করে দিক উঠে এল। তবে প্রশিক্ষক এসব সংজ্ঞার বাইরেও আরও কিছু খুঁজছিলেন।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত সাংবাদিক মোহা. বদরুদ্দোজা বাবু নীরবে কথাগুলো শুনছিলেন। এরপর তিনি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলেন - কোন বিষয়গুলো একটি অনুসন্ধানকে সাধারণ প্রতিবেদন থেকে আলাদা করে।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে থাকতে হবে নিজস্বতা এবং কোনো বিষয়কে তার গভীরে গিয়ে অনুসরণ করার মানসিকতা। এতে যা আড়ালে রয়েছে তা উন্মোচন করতে হবে, তথ্যের উৎস যাচাই করতে হবে এবং গবেষণা ও প্রমাণের ভিত্তিতে অনুসন্ধানের ফলাফলকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সর্বোপরি, এর লক্ষ্য হতে হবে জনস্বার্থ রক্ষা।

আলোচনা যত এগোতে থাকল, সাংবাদিকদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণও তত বাড়তে থাকল। সংজ্ঞার গণ্ডি পেরিয়ে আলোচনা গিয়ে পৌঁছাল সাংবাদিকতার কারিগরি দিকগুলোতে - কীভাবে একটি অনিয়ম চিহ্নিত করা যায়, কীভাবে একটি সূত্র অনুসরণ করতে হয়, কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয় এবং কীভাবে তথ্য-প্রমাণকে একটি প্রতিবেদনে রূপ দেওয়া যায়।

এই আলোচনাই গত ২২ আগস্ট ২০২৬ হোটেল গ্র্যান্ড পার্কে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের আলোচনার ধারা নির্ধারণ করে দেয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত “দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা” শীর্ষক এ প্রশিক্ষণে বরিশালের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন। প্রশিক্ষণে আধুনিক সাংবাদিকতার জন্য ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা তিনটি বিষয় - অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, ডেটা সাংবাদিকতা এবং ডেটা বাছাই ও বিশ্লেষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার - নিয়ে আলোচনা হয়।

আড়ালে থাকা তথ্যের সন্ধানে

স্থানীয় সাংবাদিকরাই অনেক সময় প্রথম দেখতে পান কীভাবে দুর্নীতি ও অনিয়ম মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছাকাছি থেকে কাজ করেন এবং সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এমন অনেক সমস্যা প্রত্যক্ষ করেন, যা জাতীয় গণমাধ্যমের দৃষ্টির আড়ালেই থেকে যেতে পারে। তবে কোনো সমস্যা চোখে পড়া আর সেটিকে শক্তিশালী অনুসন্ধানে রূপ দেওয়া এক বিষয় নয়।

তাই প্রশিক্ষণে এমন ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা সাংবাদিকদের কোনো অনিয়ম চোখে পড়া থেকে শুরু করে তার পেছনের ঘটনা, দায়ী ব্যক্তি বা পক্ষ এবং জনস্বার্থে এর গুরুত্ব - সবকিছু তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অনুসন্ধান ও প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করবে। প্রশিক্ষণের প্রতিটি অধিবেশনেই ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতবিনিময়ের সুযোগ। শুধু বক্তৃতা শোনার পরিবর্তে সাংবাদিকদের বিভিন্ন উদাহরণ দেওয়া হয়, তাঁদের নিজস্ব প্রতিবেদন তৈরির চর্চা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় এবং প্রচলিত পদ্ধতিগুলো নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করা হয়।

অভিজ্ঞ সাংবাদিক মোহা. বদরুদ্দোজা বাবুর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিষয়ক অধিবেশনে অনুসন্ধানের বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ, তথ্যের উৎসের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা, প্রমাণ সংগ্রহ এবং একটি অনুসন্ধানকে কীভাবে প্রতিবেদনে রূপ দেওয়া যায় - এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁর নিজের করা অনুসন্ধানী টেলিভিশন প্রতিবেদনগুলোর উদাহরণ উপস্থাপনের মাধ্যমে কীভাবে আড়ালে থাকা অনিয়ম শনাক্ত ও নথিবদ্ধ করা যায়, তার একটি বাস্তব চিত্রও তুলে ধরা হয়।

দ্বিতীয় অধিবেশন ছিল ডেটা নিয়ে। টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক এবং দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম দেখান, কীভাবে ডেটা একটি প্রতিবেদনের পক্ষে শক্তিশালী তথ্য-প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে এবং কীভাবে এর যথাযথ ব্যবহার একটি প্রতিবেদনকে আরও শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। অধিবেশনটি সক্রিয় মতবিনিময়ে রূপ নেয়; নিজেদের প্রতিবেদনে কীভাবে ডেটা ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে সাংবাদিকরা একের পর এক প্রশ্ন করেন।

শেষ অধিবেশনে প্রশিক্ষণের আরও কারিগরি দিকটি তুলে ধরেন কে. এম. রফিকুল আলম। ডেটা সংগ্রহ, বাছাই ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। বিষয়টি ছিল কারিগরি, কিন্তু এতে সাংবাদিকদের আগ্রহ কমেনি। তাঁরা সক্রিয়ভাবে প্রশ্ন করেন এবং কীভাবে এসব প্রযুক্তি তাঁদের প্রতিবেদনে সহায়তা করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন।

সব মিলিয়ে, দুর্নীতি ও স্থানীয় সুশাসনসংক্রান্ত বিষয়ে আরও নির্ভুল, প্রমাণনির্ভর প্রতিবেদন তৈরির জন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়ানোই ছিল প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।

বাইলাইনের আড়ালের বাস্তবতা

তবে প্রশিক্ষণ শেষের দিকে এগোতে থাকলে আলোচনার মোড়ও বদলে যায়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির কৌশল থেকে তা ধীরে ধীরে ফিরে আসে সাংবাদিকদের নিজেদের পেশাগত বাস্তবতায়। এবার তাঁরা কথা বলতে শুরু করেন নিজেদের কথা - কাজের অভিজ্ঞতা, অনিশ্চয়তা ও নানা সংকট নিয়ে।

স্থানীয় সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ যেমন সীমিত, তেমনি তাঁদের পেশাজীবনও নানা অনিশ্চয়তায় ঘেরা। অংশগ্রহণকারীরা নিরাপত্তাঝুঁকি, আর্থিক সংকটসহ নানা চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন, যা তাঁদের স্বাধীনভাবে ও দীর্ঘমেয়াদে সাংবাদিকতা করার ক্ষেত্রে নানা বাধা তৈরি করে।

দৈনিক যুগান্তরের প্রতিবেদক মনিকা চৌধুরীর জন্য প্রশিক্ষণটি ছিল অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সম্পর্কে নতুনভাবে শেখার একটি সুযোগ। কিন্তু ৪১ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে তিনিই ছিলেন একমাত্র নারী। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কীভাবে তৈরি হয়, তা হাতে-কলমে শেখার অভিজ্ঞতা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এনেছে বলে জানান তিনি। তাঁর একমাত্র নারী অংশগ্রহণকারী হয়ে থাকাটিও মনে করিয়ে দেয় - স্থানীয় সাংবাদিকতায় নারীদের অংশগ্রহণ এখনও কতটা সীমিত।

আরেক অংশগ্রহণকারী, দৈনিক মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার জিয়া শাহীন, আলোচনাটিকে নিয়ে গেলেন সাংবাদিকদের নিজেদের পেশাগত বাস্তবতার দিকে।

প্রশিক্ষণ শেষে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের কাছে তিনি আঞ্চলিক সাংবাদিকদের আর্থিক ও পেশাগত অনিশ্চয়তার বিষয়টি তুলে ধরেন। জাতীয় দৈনিকে কর্মরত সাংবাদিকরা প্রকৃতপক্ষে কত পারিশ্রমিক পান, তাঁরা নিয়মিত বেতন পান কি না এবং ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের বাস্তব কর্মপরিবেশ কতটা অনিশ্চিত—এসব বিষয় নিয়ে তিনি অভিযোগ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ ধরনের বাস্তবতার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার জন্য টিআইবির প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।

তাঁর প্রশ্নটি ছিল সরাসরি: টিআইবি যদি সরকারি ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি অনুসন্ধান করে, তাহলে সাংবাদিকতা পেশার ভেতরের অনিয়ম ও সমস্যাগুলোও কি অনুসন্ধানের আওতায় আনা যায় না?

তাঁর বক্তব্যে উঠে আসা বিষয়গুলো কক্ষে উপস্থিত অনেক সাংবাদিকেরই পরিচিত বাস্তবতা—সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে অনিশ্চয়তা ও সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়, তারই প্রতিফলন।

মাঠের সাংবাদিকদের পাশে টিআইবি

সমাপনী অধিবেশনে সাংবাদিকদের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের কঠিন কর্মপরিবেশ, অপর্যাপ্ত বেতন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো স্বীকার করে তিনি বলেন, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর চর্চা পরিবর্তনে টিআইবির সরাসরি কোনো ক্ষমতা নেই। তবে এসব সমস্যা সামনে আনা, প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে কাজ করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের অংশীজনদের কাছে সাংবাদিকদের উদ্বেগ তুলে ধরার সুযোগ টিআইবির রয়েছে।

ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের সহায়তায় টিআইবির বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে বার্ষিক পুরস্কার কর্মসূচি, যেখানে রাজধানীর বাইরের সাংবাদিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, ফেলোশিপের সুযোগ এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা যেন শুধু প্রশিক্ষণকক্ষেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সাংবাদিকেরা তা নিজেদের কাজে প্রয়োগ করতে পারেন—এ জন্য তিনি তাঁদের সঙ্গে টিআইবির যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

তবে তাঁর বক্তব্যে আরও বড় একটি বিষয় উঠে আসে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও অন্যান্য পেশাগত চ্যালেঞ্জকে গণমাধ্যমের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী বৃহত্তর রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ থেকে আলাদা করে দেখা যায় না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের অন্যান্য খাতের সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যমেও অর্থবহ সংস্কারের প্রত্যাশা তৈরি হলেও গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের পর্যাপ্ত অঙ্গীকার না থাকায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

এবারের প্রশিক্ষণে নারী অংশগ্রহণের ঘাটতির কথাও তুলে ধরে ভবিষ্যৎ কর্মসূচিতে আরও বেশি নারী সাংবাদিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রশিক্ষণের বাইরেও আরও কিছু শেখা

অংশগ্রহণকারীদের হাতে যখন সনদ তুলে দেওয়া হলো, ততক্ষণে দিনের আলোচনা শুধু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কারিগরি প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; আলোচনার পরিসর অনেক দূর বিস্তৃত হয়েছে। সাংবাদিকরা এসেছিলেন দুর্নীতি অনুসন্ধান, ডেটা নিয়ে কাজ এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার শিখতে।

কিন্তু দিনব্যাপী আলোচনায় উঠে এসেছিল আরও একটি প্রশ্ন - যে প্রশ্নটি ছিল তাঁদের নিজেদের জীবনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে জড়িত: সাংবাদিকদের যে পরিবেশের মধ্যে কাজ করতে হয়, সেই পরিবেশের দিকে নজর দেবে কে?

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভবিষ্যতের জন্য এই প্রশ্নটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। একজন সাংবাদিকের শুধু একটি গল্প খুঁজে বের করার দক্ষতা থাকলেই হয় না; প্রয়োজন সেই গল্পের তথ্য যাচাই করার সক্ষমতা, তা প্রতিষ্ঠা করার মতো তথ্য-প্রমাণ এবং দায়িত্বশীল ও স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার উপযোগী পরিবেশ। বরিশালের ৪১ জন সাংবাদিককে এই প্রশিক্ষণ প্রথম দুটি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কিছু হাতিয়ার দিয়েছে। আর পরবর্তী আলোচনায় স্পষ্ট হয়েছে, সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করাও এই দক্ষতাগুলোকে কার্যকর করে তোলার জন্য সমান জরুরি। টিআইবি এই বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অধিপরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছে।


অন্যান্য ওয়েব স্টোরি