প্রকাশকাল: ১৪ মে ২০১৪
এটি সর্বজন স্বীকৃত যে জাতীয় শুদ্ধাচার ব্যবস্থার আওতায় প্রতিষ্ঠান ও খাতসমূহ যদি সম্মিলিতভাবে এবং একযোগে কাজ করে তখন তা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রসারে এবং দুর্নীতিকে নিরুৎসাহিত করার মত পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। জাতীয় শুদ্ধাচার ব্যবস্থার বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন সংশ্লিষ্ট দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরতা ও সামর্থের মানদন্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় শুদ্ধাচার ব্যবস্থা সার্বিকভাবে নিম্মলিখিত প্রতিষ্ঠান সমুহের সমন্বয়ে গঠিত: সংসদ, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার, পুলিশ (আইন প্রয়োগকারী সংস্থা), বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং ব্যবসা খাত।
জাতীয় শুদ্ধাচার ব্যবস্থার এই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তার সক্ষমতা, সুশাসন এবং ভূমিকার আলোকে বক্ষ্যমান প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সমীক্ষার সময়ে আইন ও অনুশীলনের মধ্যেকার দুরত্বকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আইন এবং প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক চর্চাকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এটি মূলত একটি গুণগত গবেষণা, এবং এটি প্রণয়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছে, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট আইন ও গবেষণা পর্যালোচনা, গণমাধ্যম ও অন্যান্য প্রতিবেদন এবং মুখ্য তথ্যদাতার সাথে আলোচনা, সমমনা ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক সমীক্ষা (Peer Review), মানহানির সম্ভাব্যতা যাচাই (Libel Check) এবং উপদেষ্টা কমিটি কর্তৃক যাচাইকরণের ভিত্তিতে প্রণীত হয়েছে।
বিস্তারিত জানতে নিচে ক্লিক করুন