প্রকাশকাল: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্বব্যাপী ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপাদনের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশের ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবস্থাপনার জন্য আনুষ্ঠানিক রিসাইক্লিং সক্ষমতা সীমিত হওয়া এবং ই-বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে অনানুষ্ঠানিক খাতের আধিপত্যের কারণে এই প্রবণতা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। যদিও বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইনগত কাঠামো—‘বিপজ্জনক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১’—প্রণয়ন করা হয়েছে, তবুও সংশ্লিষ্ট প্রধান অংশীজনদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা ও আইনের প্রতিপালন এখনও সীমিত। বিশেষ করে তাদের নির্দিষ্ট আইনগত দায়বদ্ধতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাব লক্ষ্য করা যায়।
এই প্রেক্ষাপটে, সম্প্রতি টিআইবি “বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: শাসনগত চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ” শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে কার্যকর ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান শাসনগত চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করা এবং সম্ভাব্য সমাধানের পথ অনুসন্ধান করা।