নির্বাহী পরিচালক

ড. ইফতেখারুজ্জামান

নির্বাহী পরিচালক

ইফতেখারুজ্জামান (ইফতেখার জামান), পিএইচডি (অর্থনীতি) ,বর্তমানে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে টিআইবিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক (১৯৯১-২০০৪), শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে 'রিজিওনাল সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ'-এর নির্বাহী পরিচালক (১৯৯৫-৯৯) এবং 'বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ' (বিআইআইএসএস)-এ সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ও রিসার্চ ডিরেক্টর (১৯৮২-৯৫) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেরও সদস্য ছিলেন।

শিক্ষা জীবনে ড. ইফতেখারুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি পোল্যান্ডের রোক্লো একাডেমি অব ইকোনমিক্স থেকে মাস্টার্স এবং ওয়ারশ-এ অবস্থিত সেন্ট্রাল স্কুল অব প্ল্যানিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে এক বছর গবেষণাও করেছেন।

তিনি ২০০৮ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের আন্তর্জাতিক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১২ ও ২০১৫ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় মেয়াদে পুনর্নির্বাচিত হন। ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রথম ব্যক্তি, যিনি “গ্লোবাল সাউথ” থেকে ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক 'কাউন্সিল অন ফাউন্ডেশনস'-এর আন্তর্জাতিক কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি তৎকালীন ম্যানিলা-ভিত্তিক 'এশিয়া-প্যাসিফিক ফিলানথ্রপি কনসোর্টিয়াম'-এর গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান; সাউদাম্পটন-ভিত্তিক 'প্রোগ্রাম ফর প্রোমোটিং নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন ইন সাউথ এশিয়া'-র কোর গ্রুপ সদস্য এবং কলম্বোর রিজিওনাল সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের আন্তর্জাতিক গবেষণা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ এবং রাইট টু ইনফরমেশন (আরটিআই) ফোরাম বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অতীতে তিনি অ্যাসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও আন্তর্জাতিক পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশনের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামানের পেশাগত আগ্রহ ও গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রসমূহ হলো সুশাসন, দুর্নীতি দমন, জনসম্পৃক্ততা, রাজনীতি, উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা।

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সঙ্গী হোন

কীভাবে যুক্ত হতে পারি?