সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়

প্রকাশকাল: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশ সংবিধান, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন পরিকল্পনা ও নীতিতে সার্বিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার ও অগ্রাধিকারের উল্লেখ থাকলেও আদিবাসীদের সুনির্দিষ্ট অন্তর্ভুক্তি প্রত্যাশিত পর্যায়ে হয়নি। সংশ্লিষ্ট আইনি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসমূহের নীতিমালায় সুস্পষ্টভাবে আদিবাসীদের ন্যায্য সম-অধিকারের স্বীকৃতি নেই। এছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দে আদিবাসীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি। সংবিধানে ‘আদিবাসী’ জনগোষ্ঠীর স্বীকৃতি না থাকাসহ বহুবিধ কারণে তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০ অনুযায়ী তৈরি ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর’ বিতর্কিত ও ত্রুটিপূর্ণ তালিকা থেকে বাদ পড়া আদিবাসী সম্প্রদায়গুলো সরকারি সেবা, নির্ধারিত কোটা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫) এবং জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলে (২০১৫) পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের দারিদ্র্য, খাদ্যসংকট, শিক্ষার নিম্ন হার ও ভূমি সমস্যাকে চিহ্নিত করা হলেও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে সমতল অঞ্চলের আদিবাসীদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যার দিকে দৃষ্টিপাত করা হয়নি। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য স্বতন্ত্র প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য ভূমি কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

পুরো পলিসি ব্রিফের জন্য এখানে ক্লিক করুন


Policy Brief