Published: 18 June 2009
বিশ্বায়নের এই যুগে কোনো দেশই বিচ্ছিন্নভাবে টিকে থাকতে পারে না। দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে স্থল বন্দরগুলো আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ১৯৮৮ সালের ১৭ মার্চ ভারত, নেপাল এবং ভুটানের সাথে বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসারে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনটির গুরুত্বের কারণে ২০০১ সালে এটিকে স্থল বন্দর হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়। বর্তমানে প্রতি মাসে সরকার এই বন্দরের মাধ্যমে গড়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। তবে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে প্রতিনিয়ত এই বন্দরের নানাবিধ অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে দুর্নীতি রোধ এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে। এ উদ্দেশ্যে টিআইবি’র অনুপ্রেরণায় গঠিত লালমনিরহাট সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) বুড়িমারী স্থল বন্দরে বিরাজমান সমস্যা সমাধানে ও সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এই স্থল বন্দরের ওপর একটি অনুসন্ধানী গবেষণা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। এই গবেষণার মাধ্যমে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সীমাবদ্ধতা এবং বন্দরে বিদ্যমান বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি চিহ্নিত করার পাশাপাশি তা দূর করার জন্য যথাযথ সুপারিশ প্রদান করার প্রয়াস নেয়া হয়েছে।