• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Candles alighted protesting sexual violence against women & children (Bangla)

ইয়েস এর আয়োজনে সংহতি সমাবেশ ও মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি

ধর্ষণ ও গণধর্ষণসহ সকল প্রকার যৌন নির্যাতন এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

১৩ জানুয়ারি, রবিবার, ঢাকা: সম্প্রতি টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রী, ঢাকা, নরসিংদী, ফরিদপুর ও পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীসহ সারাদেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নির্যাতনের ঘটনায় দেশবাসী গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ। এ প্রেক্ষিতে আজ ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর অনুপ্রেরণায় গঠিত ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) এর উদ্যোগে আয়োজিত এক সংহতি সমাবেশ ও মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে ধর্ষণ ও গণধর্ষণসহ সকল প্রকার যৌন নির্যাতন এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়।

নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের এই সমাবেশে নারী অধিকার কর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, সমমনা সংগঠন, গণমাধ্যমসহ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক আ. আ. ম. স. আরেফিন সিদ্দিক, নারী অধিকার কর্মী মালেকা বেগম, রোকেয়া রফিক বেবী, কবি কাজী রোজী, টিআইবি‘র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, বিভিন্ন ইয়েস গ্রুপের প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমূখ।  

ড. ইফতেখারুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে সকল প্রকার ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেত্রীর প্রতি নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান।

সংহতি সমাবেশ থেকে নিম্নলিখিত দাবিনামা উপস্থাপিত হয়:

১. কোনরূপ ভয়-ভীতি ও করুণার ঊর্ধ্বে থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন-২০০০ এর  কার্যকর  প্রয়োগ চাই।

২. প্রশাসন, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার ব্যবস্থায় নিরপেক্ষতা, পেশাদারি উৎকর্ষ ও দৃঢ়তা প্রতিষ্ঠার জন্য একদিকে সচেতনতামূলক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অন্যদিকে এসব প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষতার সাথে রাজনৈতিকসহ কোন প্রকার প্রভাবমুক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্তরায়ের জন্য যারা দায়ী তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

৩. ধর্ষকসহ সকল প্রকার যৌননির্যাতনকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ধর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত নারীর প্রতি ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণসহ আর্থিক সহযোগিতা ও মানসিক চিকিৎসা সরকারিভাবে নিশ্চিত করতে হবে এবং এই লক্ষ্যে ‘ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার’ ও এই ধরণের ঘটনা জানানোর জন্য ‘হটলাইন’ চালু করতে হবে।

৫. ধর্ষণের শিকার নারীর প্রতি সহমর্মিতায় গণজাগরণে ঐক্যমতের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার সাথে গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ, এনজিও ও দেশের প্রতিটি সচেতন মানুষের সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

৬. মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া পর্নোপণ্যের বাজার বন্ধে যুগোপযোগী সাইবার আইন প্রণয়ন ও তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।