• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে জন-অংশগ্রহণ: অর্জন, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা দুর্নীতিবিরোধী কর্মীদের দুই দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন শুরু

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে জন-অংশগ্রহণ: অর্জন, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা

দুর্নীতিবিরোধী কর্মীদের দুই দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন শুরু

ঢাকা, শুক্রবার, ১ জুন ২০১২: দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে জন-অংশগ্রহণ: অর্জন, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা শীর্ষক প্রতিপাদ্যে আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিআইবি’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) এর দুই দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন। সারা দেশের ৪৫টি অঞ্চল থেকে সাত শতাধিক সনাক সদস্য আজ এই সম্মেলনে যোগদান করেন। আগামীকাল একই স্থানে অনুষ্ঠিতব্য ইয়েস সম্মেলনে দুই হাজারের বেশী সদস্য অংশগ্রহণ করবেন।

সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনা ও টিআইবি থিম সংগীত-ভিত্তিক কোরিওগ্রাফি প্রদর্শনের পর এবারের সনাক ও ইয়েস জাতীয় সম্মেলনকে টিআইবি’র প্রাক্তন চেয়ারপারসন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক স্যামসন এইচ চৌধুরী এবং দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পুরোধা অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়। বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য তাঁদের দু’জনকেই মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের সহধর্মিনী অধ্যাপক রওশন জাহান সম্মাননা গ্রহণ করে বলেন, “অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ বেঁচে থাকবেন তাঁর কর্মের মধ্যে। একইসাথে দুর্নীতিমুক্ত, সুশাসিত, গণতান্ত্রিক ও পরিবেশ বান্ধব স্বদেশ গঠনে তাঁর অবদান জাতিকে প্রেরণা জোগাবে।” তিনি অংশগ্রহণকারীদের দুর্নীতিবিরোধী শপথবাক্য পাঠ করান।

সম্মেলনে  ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারপারসন ড. হিউগেট ল্যাবেল এর শুভেচ্ছা বাণী পাঠ করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, প্রাক্তন চেয়ারপারসন ও সদস্য এম. হাফিজউদ্দিন খান, এবং সদস্য ড. এ টি এম শামসুল হুদা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

জাতীয় সঙ্গীতের মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণের আহ্বান জানিয়ে সুলতানা কামাল তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, “আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তেমনি তরুণদের উদ্যম ও স্পৃহাকে সাথে নিয়ে  দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেষ্ট হব। আমরা দেশমাতৃকার মুখ কোনক্রমে মলিন হতে দেবনা, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ থেকে দুর্নীতি কমিয়ে আনব।”

এম. হাফিজউদ্দিন খান তাঁর বক্তব্যে কার্যকর প্রচারণা ও যোগাযোগের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে জনগণকে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। ড. এ টি এম শামসুল হুদা বলেন, “সৎ ও দায়িত্বশীল প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে দিনভর আলোচনায় দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনকে বেগবান করতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আগামীকাল শনিবার দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, মহাসচিব সেলিনা হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ মাহফুজ আনাম অংশগ্রহণ করবেন।