• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Executive Summary on Dhaka Medical College Hospital Study (Bangla)

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ২০০৬ সালে ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ডায়াগনস্টিক স্টাডি’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে এ হাসপাতালে রোগীদের বিনামূল্যের সরকারি ওষুধ না পাওয়া, ডাক্তার দ্বারা ব্যক্তিগত চেম্বারে যাওয়ার পরামর্শ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাবদ রশিদের অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ, দালাল দ্বারা হয়রানি প্রভৃতি ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। ২ গবেষণা-পরবর্তী সময়ে টিআইবি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন-সাপেক্ষে ২০০৮ এর ১৭ জুন হতে ২০১৩ এর ৩০ জুন পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগের তথ্য ও পরামর্শ ডেস্ক কার্যক্রম পরিচালনা করে, যেখানে ৬৬,৮৫৫ জনকে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বেশ কিছু পদক্ষেপ গৃহীত হয়, যেমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাগরিক সনদ স্থাপন, হাসপাতালের সেবা-সংক্রান্ত তথ্য প্রচার, অন্তর্বিভাগ, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে অভিযোগ বাক্স স্থাপন, হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন, অভ্যন্তরীণ মনিটরিং টিম গঠনের মাধ্যমে ওয়ার্ড পরিদর্শন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আধুনিকায়ন ও সমপ্রসারণ, নতুন যন্ত্র ক্রয়, নতুন ওয়ার্ড চালু, ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ। হাসপাতালের সম্প্রসারিত ইউনিট-২ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও হাসপাতালের প্রশাসন ও চিকিৎসাসেবায় বিদ্যমান সুশাসনের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানা যায়। হাসপাতালে বর্তমানে বিদ্যমান সুশাসনের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা ও তার কারণ অনুসন্ধানে এবং টিআইবি কর্তৃক গৃহিত ২০০৬ এর উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুশাসন ও সেবার মানোন্নয়নে অব্যাহত সম্পৃক্ততা ও প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই গবেষণা পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

পুরো সারসংক্ষেপের জন্য এখানে ক্লিক করুন