• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

বাংলাদেশের বিচারিক সেবায় সুশাসন নিশ্চিতে কিছু সুপারিশ

‘সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ’ টিআইবি’র একটি অন্যতম প্রধান গবেষণা কার্যক্রম। ১৯৯৭ সাল থেকে টিআইবি এই জরিপ ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে আসছে। এই জরিপের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খানাগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি ও মাত্রা নিরূপণ করা এবং জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দিক-নির্দেশনামূলক সুপারিশ প্রদান করা। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের জরিপে অন্তর্ভুক্ত খানাগুলো জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর’ ২০১৭ সময়ে বিভিন্ন সেবাখাত বা প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা গ্রহণকালে যে দুর্নীতির সম্মুখীন হয় তার ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ জরিপে বিচারিক সেবাসহ ১৫টি খাতের ওপর বিশ্লেষণধর্মী ফলাফল উপস্থাপন করা হয়, যা ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট প্রকাশিত হয়।
জরিপে অংশ নেওয়া মোট ১৫,৫৮১টি খানার মধ্যে, ৭.১ শতাংশ খানা বিভিন্ন মামলার বিচার সংক্রান্ত কাজে বিভিন্ন পর্যায়ের আদালতে বিচারিক সেবা নিয়েছে, আদালতের ধরন হিসেবে দেখা যায়, ৭৭.০ শতাংশ খানা দেওয়ানি আদালত, ২০.২ শতাংশ ফৌজদারি আদালত, ৪.২ শতাংশ খানা উচ্চ আদালত এবং ১.৫ শতাংশ বিশেষ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল থেকে বিচারিক সেবা গ্রহণ করেছে। সার্বিকভাবে বিচারিক সেবা নেওয়া খানার ৬০.৫ শতাংশ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের শিকার হয়েছে। বিচারিক সেবাগ্রহণকারী খানাগুলোর মধ্যে ৩২.৮ শতাংশ খানাকে ঘুষ বা নিয়ম-বহির্ভূত অর্থ দিতে হয়েছে এবং সেবাগ্রহণকারী খানাগুলো গড়ে ১৬,৩১৪ টাকা ঘুষ দিয়েছে। জরিপে যেসব খানা বিচারিক সেবায় ঘুষ দিয়েছে তাদের ৮৭.৫% ’ঘুষ না দিলে সেবা পাওয়া যায় না’ বলে উল্লেখ করেছে। 
এই জরিপের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইতোপূর্বে সম্পাদিত বিভিন্ন গবেষণা ও অধিপরামর্শ কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে বিচার বিভাগের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে উৎকর্ষ বৃদ্ধি, স্বাধীনভাবে ও প্রভাবমুক্তভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আইনের শাসন নিশ্চিত করা, জনআস্থা বৃদ্ধি ও সর্বোপরি বিচারিক কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সহায়ক হিসেবে টিআইবি প্রণীত এ পলিসি ব্রিফটি উপস্থাপন করা হল। 
পলিসি ব্রিফ এখানে