• header_en
  • header_bn

বাংলাদেশে সুশাসনের সমস্যা উত্তরণের উপায়: দ্বাদশ খন্ড

বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকের চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতাকে অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে; যার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ তথ্য অধিকার। জাতিসংঘের বিভিন্ন সনদেও তথ্য অধিকারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেমন জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সনদ ১৯৬৬ (অনুচ্ছেদ ১৯) এবং জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ ২০০৫ [অনুচ্ছেদ ১০ (৩)]। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) ১৬-তে উল্লিখিত টেকসই উন্নয়নসহ সর্বস্তরে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে তথ্যে প্রবেশগম্যতা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। এসডিজি ১৬ দশমিক ১০-এ সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে তথ্য অধিকার আইন কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে ২০০৯ সালে প্রণীত তথ্য অধিকার আইনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এ আইনে প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ তাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত, কার্যক্রম কিংবা সম্পাদিত বা প্রস্তাবিত কর্মকাÐের সব তথ্য নাগরিকদের কাছে সহজলভ্য হয় এভাবে সূচিবদ্ধ করে প্রকাশ ও প্রচার করবে এমন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তথ্য অধিকার (তথ্য প্রকাশ ও প্রচার) প্রবিধানমালা, ২০১০ এবং স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ নির্দেশিকা, ২০১৪ প্রণীত হয়। এই প্রবিধানমালা ও নির্দেশিকা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত এবং সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ, অধিদপ্তর, সংস্থা ও এর আওতাভুক্ত কার্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদ ও পদ্ধতি অনুযায়ী স¦প্রণোদিতভাবে তথ্য প্রকাশ, প্রচার ও হালনাগাদ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এখানে ক্লিক করুন।