• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Save the Sundarbans (Bangla)

সুন্দরবনের পাশে জাহাজভাঙ্গা শিল্প স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে টিআইবিসহ সাতটি সংগঠন

ঢাকা, ২১ জুলাই ২০১৩: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকা সুন্দরবনের পাশে পাথরঘাটায় জাহাজভাঙ্গা শিল্পের মত মারাত্মক দূষণকারী শিল্প স্থাপনের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি সহ সাতটি সংগঠন।

আজ এক বিবৃতিতে সাতটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, মারাত্মক দূষণকারী “লাল শ্রেণীভূক্ত” হিসেবে চিহ্নিত জাহাজভাঙ্গা শিল্পের অপরিকল্পিত কর্মকান্ড ও অনিয়ন্ত্রিত দুষণের ফলে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার উপকূলীয় বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে গেছে। সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকায় জাহাজভাঙ্গা শিল্পের মত এমন মারাত্মক দূষণকারী একটি শিল্প গড়ে উঠলে তা সীতাকুন্ডের ন্যায় সুন্দরবনের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যসহ সার্বিক পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মাটির গুণগত মান ও ঊর্বরতা হ্রাস, নদী দূষণ ও মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবার তীব্র আশংকা রয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সমগ্র দেশবাসী সুন্দরবনকে বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তমাশ্চর্য নির্বাচিত করতে ভোট প্রদান করেছে সেখানে প্রধানমন্ত্রীর “অগ্রাধিকার প্রকল্প” হিসেবে সরকারের এমন স্ববিরোধী সিদ্ধান্ত কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সুন্দরবনের স্পর্শকাতরতা বিবেচনা না করে বিশেষ মহলের ব্যবসায়িক স্বার্থ বিবেচনায় মারাত্মক দূষণকারী এই শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ জনস্বার্থ বিরোধী, হঠকারীমূলক এবং পরিবেশ বিধ্বংসী। উল্লেখ্য, জাহাজভাঙ্গা শিল্প ও এর দূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশের সর্বোচ্চ আদালত হতে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও শিল্পটির বিকাশে সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থ বিরোধী এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি চরম অবমাননাকর।

যে সাতটি সংগঠন বিবৃতি প্রকাশ করেছে সেগুলো হলো; আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), নিজেরা করি এবং টিআইবি ।

Media Contact