• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

‘মাঠ পর্যায়ে দুদকের কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব ডিসিদের হাতে’ হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রত্যাহারের আহ্বান টিআইবির

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 
‘মাঠ পর্যায়ে দুদকের কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব ডিসিদের হাতে’
হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রত্যাহারের আহ্বান টিআইবির
 
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০১৯: মাঠ পর্যায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর কার্যক্রম দেখভাল করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) দুদক কর্তৃক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, গণমাধ্যম সূত্রে এরূপ জেনে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এর ফলে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন কেন্দ্রিক দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে দুদকের ওপর অর্পিত আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এরূপ আত্মঘাতী ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত হয়ে থাকলে তা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান  জানাচ্ছে টিআইবি।
আজ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যানুযায়ী, পাঁচ দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই ২০১৯) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সম্পর্কিত আলোচনায় অংশ নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান যেভাবে জেলা প্রশাসকদের সংশ্লিষ্ট জেলার সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে দুদকের কার্যক্রম দেখভাল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন, তা উভয় কর্তৃপক্ষের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যাপক অভিক্রমণ ও দ্বন্দ্বের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এরূপ সিদ্ধান্ত যদি হয়ে থাকে, তবে তা বিশেষ করে স্থানীয় দুদকের কার্যক্রমে অনাকাঙ্খিত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং অনৈতিক ও দুর্নীতি সহায়ক প্রভাবের যুক্তি সৃষ্টি করবে। দুদকের যতটুকু ক্ষমতা ও নিরপেক্ষতা বজায়ের সুযোগ আইনগতভাবে দেওয়া হয়েছে তাও সম্পূর্ণভাবে বিসর্জিত হবে। দুদকরে জন্য এরূপ সিদ্ধান্ত অপরিণামদর্শী ও আত্মঘাতী।”
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরো বলেন, “যদিও দুদক চেয়ারম্যান যৌক্তিকভাবেই উল্লেখ করেছেন যে, জেলা প্রশাসকগণ যদি দুদকের কোনো গাফিলতি বা দুর্নীতি দেখেন, তা দুদককে জানাতে বলা হয়েছে, যা তাদের স্বাভাবিক দায়িত্ব। তথাপি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হাতে দুদকের দেখভালের এখতিয়ার অর্পিত হলে তা ব্যাপক স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি করবে। অন্যদিকে এর ফলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ও অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তদন্তের ক্ষেত্রে দুদকের প্রত্যাশিত ভূমিকা পালনের পথ চিরতরে রুদ্ধ হবে।”
গভীর উদ্বেগের সাথে ইফতেখারুজ্জামান প্রশ্ন তোলেন, “যদি তাই হয় তবে কি অনুমান করা যায় না যে জাতীয় পর্যায়ে দুদক নিজেকে প্রশাসন কর্তৃক দেখভালের ক্ষমতা দিতে প্রস্তুত। সেক্ষেত্রে দুদক নামক বিশেষায়িত দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠান থাকার যথার্থতা কোথায় থাকবে?”
টিআইবি আরো বলছে, “বিষয়টি নিয়ে এরূপ আবেগপ্রসূত ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত পরিহার করে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রশাসনের সাথে দুদকের সম্পর্ক নির্ধারণে দুদকের উচিত হবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সম্পর্কিত করে সম্ভাব্য সকল প্রকার প্রভাব ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব মুক্ত পারস্পারিক পেশাগত অবস্থানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশক ও সীমারেখা নিরূপণ করা, যেন দুদক তার আইনগত ভিত্তির ওপর নির্ভর করে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।”
 
গণমাধ্যম যোগাযোগ,
 
মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
ঊর্ধ্বতন কর্মসূচি ব্যবস্থাপক
আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন
ফোন : ০১৭১৩১০৭৮৬৮
ই-মেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.