• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে গৃহিত প্রকল্প অধিকতর কার্যকর ও ফলপ্রসু করতে এডিপি’র কর্মপদ্ধতি অনুসরণের সুপারিশ টিআইবি’র: এডিপি’তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গৃহীত কার্যক্রমসমূহ সুনির্দিষ্ট করার তাগিদ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 
জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে গৃহিত প্রকল্প অধিকতর কার্যকর ও ফলপ্রসু করতে এডিপি’র কর্মপদ্ধতি অনুসরণের সুপারিশ টিআইবি’র: এডিপি’তে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গৃহীত কার্যক্রমসমূহ সুনির্দিষ্ট করার তাগিদ
 
ঢাকা, ১০ জুলাই ২০১৯: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে গৃহীত বা বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-র বাস্তবায়ন ও তদারকি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে তা আরো বেশি কার্যকর হতে পারে  বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। উভয় কর্মসূচির অধীনে গৃহীত ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্পের উপকারভোগী জনগোষ্ঠী, স্থানীয় জনগণ ও প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত গ্রহণ করে প্রণীত ‘জলবায়ু ও উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য নিরূপণ: কোনটি অধিক দক্ষ, কার্যকর ও স্বচ্ছ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আজ টিআইবি’র ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করে সংস্থাটি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা- নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন ইউনিটের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম. জাকির হোসাইন খান। টিআইবি’র ফেলোশীপের আওতায় গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রণয়ন ও উপস্থাপন করেন এশিয়ান সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)-র পরিচালক ও ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ.কে. এনামুল হক এবং এসিডি’র এশীয় ফেলো ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইসতিয়াক বারি। 
সার্বিকভাবে এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশে উন্নয়ন অর্থায়নে পরিচালিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড এর অধীনে গৃহীত বা বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর মধ্যে কতটুকু সামঞ্জস্য ও ভিন্নতা রয়েছে তা যাচাই করা এবং উভয় ধরনের প্রকল্পের মধ্যে বাস্তবায়ন দক্ষতা, কার্যকারিতা এবং টেকসই বিবেচনায় কোন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন পদ্ধতি বেশি যৌক্তিক, সেই বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা। এছাড়াও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পগুলো কি তুলনামূলকভাবে অধিক দক্ষ, কার্যকর ও টেকসই? এর বিপরীতে যদি ভিন্ন অর্থায়ন প্রক্রিয়ার ফলাফল একইরকম হয় তবে প্রকল্প অর্থায়নের জন্য দুটো পৃথক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা কতটুকু যৌক্তিক সে বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হয়েছে। 
গবেষণার আওতায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড এর অধীনে গৃহীত বা বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর প্রভাব পর্যালোচনা করতে গিয়ে প্রধানত অর্থনৈতিক, দারিদ্র বিমোচন, সামাজিক উন্নয়ন, জলবায়ু সহিষ্ণুতায় সক্ষমতা তৈরি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এই কয়েকটি ক্ষেত্রে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।  
অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যালোচনা করতে গিয়ে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মতামতকে বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অর্থনৈতিক প্রভাবের পাঁচটি সূচকের মধ্যে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি এবং গরীব জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধিতে জলবায়ু পরিবর্তন কার্যক্রমের তুলনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো অধিকতর সহায়ক এবং কার্যকর। তবে প্রকল্প পর্যায়ে অন্য তিনটি অর্থনৈতিক সূচক যথাক্রমে- বৈচিত্রপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম, বাজারে অভিগম্যতা বৃদ্ধি এবং উপজেলার উন্নয়নে দুই ধরণের প্রকল্পের (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড) প্রভাবের মধ্যে কোন ভিন্নতা পাওয়া যায় নি। 
গবেষণা অনুযায়ী দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে প্রভাব পর্যালোচনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত প্রকল্পের অংশগ্রহণকারীদের মতামত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দারিদ্র্য বিমোচন প্রভাবের অন্তর্গত সাতটি ভিন্ন সূচকের মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ ব্যতিত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ সুবিধা ও বিদ্যুত সংযোগের প্রসার, উন্মুক্ত জলাধারে মাছ ধরা, মাছ চাষ ও পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমে উভয় ধরণের প্রকল্পের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখা যায় নি। 
সামাজিক প্রভাব যেমন- শিক্ষা সেবা, স্বাস্থ্য সেবা, পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধায় বিশুদ্ধ খাবার পানির প্রাপ্যতার বিবেচনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত প্রকল্পের মধ্যে কোন ভিন্নতা নেই বলে মনে করেন গবেষণায় অংশগ্রহণকারী তথ্যদাতারা। 
জলবায়ু সহিষ্ণুতায় সক্ষমতা তৈরি ও পরিবেশের ওপর প্রভাব মূল্যায়নে মোট চারটি সূচকের বিশ্লেষণে দেখা যায়, পরিবেশ উন্নয়ন, জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবেলা ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর মধ্যে কোন ভিন্নতা নেই। 
দাতা সংস্থা (ডেভেলপমেন্ট এ্যসিসট্যান্স কমিটি- ডিএসি) উদ্ধৃত উন্নয়ন কর্মসূচি মূল্যায়নের মানদন্ড অনুযায়ী দেখা যায়, গবেষণায় অংশগ্রহণকারী তথ্যদাতারা মনে করেন, উপকারভোগী জনগোষ্ঠীর প্রাপ্ত সুবিধা বিবেচনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে গৃহীত ও বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পগুলোর তুলনায় অধিকতর কার্যকর এবং অধিকতর দক্ষতার সাথে ব্যবস্থাপনা করা হয়। এছাড়া অন্যান্য ডিএসি মানদন্ড- যেমন উপকারভোগী জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের সাথে প্রকল্পের কর্মকান্ডের সংগতি, নিদিষ্ট সময়ে প্রকল্প কাজ শেষ হওয়া ও টেকসই ইত্যাদি বিবেচনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তেমন কোন ভিন্নতা পাওয়া যায় নি। 
গবেষণায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশরাই মনে করেন, উন্নয়ন প্রকল্পের তুলনায় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পগুলো আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ হলেও সম্পাদিত কাজের মান দূর্বল। এই পরস্পর সাংঘর্ষিক মতামতের দুটো কারণ হতে পারে। (ক) যদিও এ গবেষণায় বিবেচনা করা হয়নি, সেটা হলো প্রকল্প বাজেট এবং বরাদ্দ বিবেচনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে গৃহীত ও বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর আকার বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পগুলোর তুলনায় গড়ে প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি; (খ) বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পগুলোর সমন্বয়, পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দক্ষতার অভাব রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি’র পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদান করে বলা হয়, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড এর অধীনে বাস্তবায়নরত বা পরিকল্পনাধীন নতুন প্রকল্পগুলো যদি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-র বাস্তবায়ন ও তদারকি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, তবে তা অধিকতর কার্যকর হতে পারে। অন্যদিকে এডিপি’র মধ্যেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা সংশ্লিষ্ট অনেক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এক্ষেত্রে যদি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গৃহীত কার্যক্রমসমূহ সুনির্দিষ্ট এবং পৃথক করা সম্ভব হয় তাহলে আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলসমূহে বাংলাদেশ আরো অধিকতর অভিগম্যতা অর্জনে সক্ষম হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এম. জাকির হোসাইন খান বলেন, “আমাদের মূল চ্যালেঞ্জটা হলো, এখন পর্যন্ত আমরা স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ভবিষ্যত ঝুঁকি সঠিকভাবে নিরূপন করতে পারি নাই। ফলশ্রুতিতে উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে জাতীয়ভাবে জলবায়ু অর্থায়ন কৌশলপত্র প্রণয়নের প্রস্তাব থাকলেও এখন পর্যন্ত তা করা হয় নি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক তহবিল সংগ্রহ করতে হলে অবিলম্বে আমাদের জাতীয়ভাবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি নিরূপন এবং জলবায়ু অর্থায়নে কৌশলপত্র প্রণয়ন করা জরুরী।”  
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশসমূহের অঙ্গীকারের তুলনায় বাংলাদেশসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশে জলবায়ু অর্থ প্রবাহ এখনো পর্যন্ত খুবই নগন্য। সরকারের প্রাক্কলন অনুযায়ী জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রতি বছর যেখানে ২.২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, তার বিপরীতে এখনো পর্যন্ত গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে মাত্র ১১৩ মিলিয়ন ডলারের বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যার বাস্তবায়নকারী প্রধান কর্তৃত্বও বিদেশী সংস্থার হাতে। আন্তর্জাতিক সূত্রে প্রাপ্য অর্থের প্রবাহ অদূর ভবিষ্যতে খুব বেশি বাড়বে এমন আশা করাও বিভিন্ন কারণে দুরূহ। এই প্রেক্ষিতে জাতীয় সূত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ক্ষতি মোকাবেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন- তা বিসিসিটিএফ এর মাধ্যমেই হোক, সনাতন উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবেই হোক- অপরিহার্য ও সর্বোচ্চ প্রাধান্যের যোগ্য। 
তিনি আরো বলেন, “এ গবেষণায় যে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উত্থাপিত হল, তা হচ্ছে, উভয় ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিশেষায়িত উপাদানগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা এবং তার ওপর ভিত্তি করে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, দেশি বিদেশী উভয় সূত্রে বাজেট বরাদ্দ, পরিমাপযোগ্য বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও নিরীক্ষা নিশ্চিতের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ও কার্যকরতা বৃদ্ধি করা।” 
উল্লেখ্য, ২০১৮ এর জুলাই হতে ২০১৯ এর জুন পর্যন্ত সময়ে এই গবেষণার তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়েছে। গবেষণার উদ্দেশ্য বিবেচনায় রেখে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রকল্পের উপকারভোগী, স্থানীয় জনগণ ও প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত গ্রহণের জন্য একটি জরিপ চালানো হয়। এই জরিপটি বাংলাদেশের চারটি উপকূলীয় জেলা বরগুনা, ভোলা, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরার ৩১ টি প্রকল্প এলাকায় পরিচালিত হয়। জরিপের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে ১৭ টি এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে ১৪ টি বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রকল্পের অংশীজন ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট স্থানীয় জনগণসহ সর্বমোট ৩৯০ জন উত্তরদাতার মতামত গ্রহণ করা হয়। এছাড়া প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ১০ জন মূখ্য তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে তাদের মতামত গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অধীনে বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নরত প্রায় ৪০০ এর বেশি প্রকল্প থেকে ১৭ টি প্রকল্প (দ্বিস্তরবিশিষ্ট) দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হয়। 
 
গণমাধ্যম যোগাযোগ:
 
মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন)
মোবাইল: ০১৭১৩-১০৭৮৬৮
ই-মেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.