• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

বিমানবন্দরে ভিআইপিদের নিরাপত্তা তল্লাশি শিথিলের অনুরোধ অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক: অগ্রাহ্য করার আহ্বান টিআইবি’র

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 
বিমানবন্দরে ভিআইপিদের নিরাপত্তা তল্লাশি শিথিলের অনুরোধ অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক: অগ্রাহ্য করার আহ্বান টিআইবি’র
 
ঢাকা, ১১ এপ্রিল ২০১৯: দেশের বিমানবন্দরসমূহে সাংসদসহ ভিআইপিদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশি শিথিল করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অনুরোধ অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে তা অগ্রাহ্য করার আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।  
আজ এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আমরা জানতে পেরেছি যে, সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেশের বিমানবন্দরসমূহে সংসদ সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য নিরাপত্তা তল্লাশি শিথিল করার অনুরোধ জানিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। এই প্রস্তাবে আমরা উদ্বিগ্ন। কারণ এ ধরনের প্রস্তাব সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, বৈষম্যমূলক ও ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল। টিআইবি মনে করে, জনগনের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যগণ এমনিতেই নানাবিধ সাংবিধানিক প্রাধিকার ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকেন। এর বাইরে বিমানবন্দরের মত স্পর্শকাতর স্থাপনায় নিরাপত্তা তল্লাশির ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ সুবিধা বা শিথিলতা প্রদান করা হলে তা যেমন অসাংবিধানিক হবে তেমনি এই ধরণের অনৈতিক সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য আত্মঘাতীমূলক। তাই সরকার এ ধরণের অনিয়মকে কোনভাবেই উৎসাহিত করবে না, আমরা এই প্রত্যাশা করি।” 
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নিরাপত্তা তল্লাশির ক্ষেত্রে যাতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, এই যুক্তিতে ভিআইপিদের জন্য শৈথিল্যের এ অনায্য প্রস্তাব গৃহীত হলে তা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের সাথে সাংঘর্ষিক হবে।” 
সংসদ সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা যখন বিশ্বের অন্যান্য বিমানবন্দর দিয়ে ভ্রমণ করেন তখনও এ ধরণের শিথিলতার সুযোগ প্রত্যাশা করেন কিনা এই প্রশ্ন রেখে ড. ইফতেখারুজ্জামান আরো বলেন, “বিশ্বের যে কোন বিমানবন্দরে এর চাইতেও কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির ভেতর দিয়ে কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতিরেকে সকল যাত্রীকে যাতায়াত করতে হয়। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা যদি সেসব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির ক্ষেত্রে শিথিলতা না পান, তাহলে দেশের বিমানবন্দরে এই ধরণের সুবিধা প্রত্যাশা করা যেমন ক্ষমতার অপব্যবহার, তেমনি বৈষম্যমূলক মানসিকতার পরিচায়ক। সম্পূর্ণ নির্দ্বিধায় এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।” 
উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী গত ৭ এপ্রিল  বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দেশের বিমানবন্দরসমূহে সংসদ সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য নিরাপত্তা তল্লাশি শিথিলের অনুরোধ জানান কমিটির এক সদস্য। পরে কমিটির সব সদস্য একমত হয়ে বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পেশ করেন।  
 
গণমাধ্যম যোগাযোগ:
 
শেখ মন্জুর-ই-আলম
পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন)
মোবাইল: ০১৭০৮৪৯৫৩৯৫ 
ই-মেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.