• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া সংবাদ প্রচারের সাথে সরকার সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার অভিযোগের সংবাদে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া টিআইবি’র: জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার তাগিদ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া সংবাদ প্রচারের সাথে সরকার সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার অভিযোগের সংবাদে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া টিআইবি’র: জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার তাগিদ
 
ঢাকা, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮: ভুয়া সংবাদ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের দায়ে  বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক মোট ৩০টি পেজ ও একাউন্ট অপসারণের প্রেক্ষিতে ফেসবুক ও টুইটার কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গত ২০ ডিসেম্বর দেয়া এক বিবৃতিতে এ অপকর্মে জড়িতদের সঙ্গে  সরকার-সংশ্লিষ্টজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ভুয়া সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিলেও, এখন সরকার সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ উঠায় অভিযুক্তদের অনতিবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার এবং এ বিষয়ে তদন্তের পুরো প্রতিবেদন জনগণের জ্ঞাতার্থে প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।     
আজ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘‘ফেসবুক এর বিবৃতিতে ভুয়া খবর প্রচারের মাধ্যমে এ ধরনের প্রচেষ্টাকে ‘সমন্বিত অসত্য আচরণ (Coordinated inauthentic behavior )’ এবং টুইটারে ভুয়া খবর প্রচারের মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগকে ‘সমন্বিতভাবে প্রচার মাধ্যমের বিভ্রান্তিকর ব্যবহার (Coordinated platform manipulation )’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিপক্ষে ও সরকারের পক্ষে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য সংবাদ প্রচার করে জনমানুষের চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টাসমূহকে অননুমোদিত ও অপব্যবহার উল্লেখ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক তদন্তে এর সাথে জড়িতরা সরকারের সাথে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেছে ও টুইটার কর্তৃপক্ষ এর সাথে জড়িতদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকদের সাথে সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে। যা একদিকে অত্যন্ত বিব্রতকর ও নিন্দাজনক, অন্যদিকে বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় ষড়যন্ত্রমূলক অপব্যবহারের নগ্ন দৃষ্টান্ত এবং সুস্থ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের বিকাশের জন্য অশনি সংকেত।” 
ড. জামান আরো বলেন, ‘‘বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, সুস্পষ্ট প্রমাণ সহ অভিযোগ আনা হলেও আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ফেসবুকের অবস্থান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা এমন প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যার ফলে এই  ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আদৌ কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা সেই সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি, এ অপরাধের সাথে কোন প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা এরূপ প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। জড়িতরা রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত - এ ভয়াবহ অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশের জনগণকে দেওয়া সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির কতোটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে দেশে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টির অতীত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ড. জামান বলেন, ভবিষ্যতে মানুষের চিন্তাধারা প্রভাবিত করার এরূপ অপপ্রয়াসের আশ্রয় নেয়া হবেনা এই নিশ্চয়তা বিধানের দায়িত্ব সরকারের। 
 
গণমাধ্যম যোগাযোগ,
 
শেখ মনজুর-ই-আলম 
পরিচালক, আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ
মোবাইল: ০১৭০৮৪৯৫৩৯৫
ই-মেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.