• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে সুশাসনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন টিআইবি : স্বাধীন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ পরামর্শের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ ঝুঁকি নিরসন নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োগের আহ্বান

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে সুশাসনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন টিআইবি
স্বাধীন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ পরামর্শের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ ঝুঁকি নিরসন নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োগের আহ্বান
 
ঢাকা, ০৯ মে ২০১৭ : বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে একদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও যোগসাজসের মাধ্যমে সুশাসনের অবক্ষয় ও লাগামহীন জালিয়াতি এবং অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান অবৈধ অর্থপাচারের প্রেক্ষিতে এ খাতের জন্য সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে তা পূর্ণবিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এড-হক সিদ্ধান্তের প্রবণতা পরিহার করে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে তার সুপারিশের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ঝুঁকি নিরসন নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হবার জন্য সরকারের প্রতি টিআইবি আহ্বান জানিয়েছে।
 
আজ এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “সম্প্রতি দেশ থেকে উদ্বেগজনক হারে অর্থ পাচারের তথ্য উদ্ঘাটিত হওয়ার পটভূমিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ উপেক্ষা করে ব্যক্তি খাতের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ প্রদানে ব্যাংকিং বিভাগের অতি আগ্রহে টিআইবি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি ক্রমবিকাশমান মোবাইল ব্যাংকিং এর অপব্যবহার করে ডিজিটাল হুন্ডির কারণে প্রবাসী আয় বাবদ বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়া রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা এবং সম্প্রতি কোম্পানি আইন সংশোধন করে বেসরকারি ব্যাংকিং খাতে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগের পটভূমিতে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সম্পূর্ণভাবে অনিয়ন্ত্রিত, জবাবদিহিহীন ও অভিভাবক-শূণ্য হবার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।”
 
ড. জামান বলেন “ব্যাংকিং খাতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও যোগসাজসের মাধ্যমে অনিয়ন্ত্রিত ঋণ খেলাপ, জালিয়াতি ও দুর্নীতির কারণে জনগণের আমানতের অর্থ ব্যাপক ঝুঁকির সম্মুখীন। অন্যদিকে এ খাতের সুশাসনের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী বিশেষ মহলের নিকট  সরকারের দৃশ্যমান জিম্মি অবস্থা অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত।”  
 
টিআইবি মনে করে, বাংলাদেশি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশে বিনিয়োগের প্রস্তাব স্বল্পমেয়াদে যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন, প্রয়োজনীয় আইনি ও নীতিকাঠামো এবং পরিবীক্ষণ ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে এড-হক ভিত্তিতে এরূপ সুযোগ সৃষ্টি করার ফলে বিদেশে অবৈধ অর্থ পাচার আরো বিকশিত হবার ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের প্রস্তাবিত সংস্কারের মাধ্যমে এ খাতে পরিবারতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকরণের সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ না করে এরূপ আইনি সংশোধন অদূরদর্শীতার নামান্তর। টিআইবি এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে প্রস্তাবিত বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শ সাপেক্ষে অগ্রসর হবার আহ্বান জানায়। একইসাথে পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের, বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সমন্বিত প্রয়াস এবং  অর্থ পাচারের জন্য দায়ি ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিতেরও দাবি জানায় টিআইবি।
  
বার্তা প্রেরক:
 রিজওয়ান-উল-আলম
পরিচালক- আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগ
ই-মেইল:  This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.
যোগাযোগ: ০১৭১৩০৬৫০১২