• header_en
  • header_bn


Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now


CPI 2014 Released: Bangladesh’s score and position go down

Dhaka, 03 December 2014: Corruption is still pervasive and remains as a major threat as Bangladesh’s score has moved downward by 2 points than last year’s position in the Corruption Perceptions Index (CPI) 2014 released today. Bangladesh has scored 25 points in a scale of 0-100 and has been ranked 145th from the top and 14th from below in a list of 175 countries. This score is much lower than the global average score of 43 and both in rank and score among seven South Asian countries, Bangladesh’s position remains 2nd lowest - lower than all except Afghanistan. Against this backdrop, TIB has called upon the government to take a stricter position and effective measures in realizing its political commitment to prevent corruption.
In a press conference held today at the VIP Lounge of National Press Club in Dhaka on the occasion of the global release of CPI, TIB Executive Director Dr Iftekharuzzaman presented and explained Bangladesh’s score and other matters related to it. Bangladesh is among the 121 countries out of 175 who scored below 50. From the bottom, the ranking is 2 steps worse in 2014 (14th) than 2013 (16th) and from top this ranking is nine steps lower in 2014 (145th) than 2013 (136th). Among South Asian countries Bhutan is on the top (score 65, rank 30 from top) while Afghanistan remains in the bottom scoring only 12 which is globally the third lowest after Sudan which is the 2nd lowest and North Korea and Somalia jointly being the lowest. Except Bhutan, all South Asian countries have received much lower than the global average of 43. Dr Ifetkharuzzaman in his briefing said that Bangladesh’s failure in the CPI has become severe because of its lower score than the previous year which also is much below than the global average. “According to CPI 2014, score of 92 countries has increased, while it remained same in 47 countries. Unfortunately Bangladesh is among the 36 countries whose score has declined,” Dr Zaman said. Other countries who scored the same with Bangladesh are Guinea, Kenya, Laos and Papua New Guinea.
Denmark topped in the ranking scoring 92 points followed by New Zealand in the 2nd position (score is 91) and Finland in the 3rd (score 89). It is to be noted that in the 0-100 scale courtiers scoring higher are perceived to be less corrupt while countries at the bottom are perceived to be exposed to higher level of corruption. The data used in the CPI 2014 have been collected from February 2011 to August 2014. The data for Bangladesh survey were taken from Economist Intelligence Unit – Country Risk Assessment, Global Insight Country Risk Ratings, International Country Risk Guide, World Bank – Country Policy and Institutional Assessment, World Economic Forum Executive Opinion Survey, World Just Project – Rule of Law Index, and Bertelsmann Foundation Transformation Index.
There are many reasons for which Bangladesh’s CPI score went down this year and among these are: deficits of delivery of anti-corruption pledges, attempts to curtail independence of the ACC, deficits in bringing to justice those alleged of corruption e.g. Padma Bridge, Railway Scam, Stock Market, HallMark, Destiny, Sonali and other Banking Scams, Rana Plaza, disproportionate accumulation of wealth, denial syndrome, unabated grabbing of land, river & water bodies, loan default, contracting and recruitment business, politically linked business opportunities, weaknesses of institutions of accountability especially Parliament, conflict of interest issues, whitening of black money, and illicit financial transfers are important,” Dr Zaman further added. He also underscored that because of lack of proper understanding about CPI people of the country are blamed to be corrupt which is not right. “Majority of the people here are not corrupt but rather victims of it and because of the failure of our leadership to fight against the corruption of the powerful echelon they can never be blamed,” TIB ED concluded.
TIB Chairperson Advocate Sultana Kamal presided over the event. In her reaction she said that because of absence of a culture of accountability and pervasive corruption, the poor people of the country are suffering. “We haven’t noticed firm visible action from the government to effectively prevent corruption,” she said. “So the government should take the responsibility in failing to keep up its political commitments,” TIB Chairperson further added.
Others who were present during the press conference are: Members of TIB’s Trustee Board Mr M Hafizuddin Khan and Dr A.T.M. Shamsul Huda and TIB’s Deputy Executive Director Professor Dr Sumaiya Khair.
দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০১৪ এ বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থানের অবনতি
দুর্নীতি প্রতিরোধে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি টিআইবি’র
ঢাকা, ডিসেম্বর ০৩, ২০১৪: আজ বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০১৪ অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থান ২০১৩ সালের তুলনায় উভয় ক্ষেত্রেই হ্রাস পেয়েছে। তাছাড়া, বৈশ্বিক গড় স্কোরের তুলনায় বাংলাদেশের ২০১৪ সালের স্কোর অনেক কম হওয়ায় এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় সর্বনিম্ন হওয়ায় দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা ও গভীরতা উদ্বেগজনক। এই প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আরো কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)
সিপিআই ২০১৪ এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, এ বছর বাংলাদেশ ০-১০০ স্কেলে ২৫ স্কোর পেয়ে ১৭৫টি দেশের মধ্যে ঊর্ধ্বক্রম অনুসারে ১৪৫তম এবং নিম্নক্রম অনুসারে ১৪তম অবস্থানে রয়েছে। ২০১৩ সালের তুলনায় অবস্থানের নিম্নক্রম অনুযায়ী দুই ধাপ নিচে নেমেছে এবং গত বছরের ২৭ স্কোরের চেয়ে দুই স্কোর কম পেয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়াও উচ্চক্রম অনুযায়ী গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ এবছর নয় ধাপ নিচে নেমে গেছে। ড. জামান বলেন, “একমাত্র আফগানিস্তান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নিম্নক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় সর্বনিম্নে অবস্থান করছে এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ দুই পয়েন্ট কম পাওয়ায় এবং তা বৈশ্বিক গড় ৪৩ এর চেয়ে অনেক কম হওয়ায় সার্বিকভাবে দুর্নীতির বৈশ্বিক ধারণা সূচকে বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রকট আকার ধারন করেছে।” তিনি আরো বলেন, “২০১৪ সালের সিপিআই অনুযায়ী ৯২টি দেশের স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে, ৪৭টি দেশ পূর্বের স্কোর ধরে রেখেছে। অন্যদিকে যে ৩৬টি দেশের স্কোরের অবনতি হয়েছে, দুঃখজনকভাবে সেই তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে।” উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সাথে একই স্কোর প্রাপ্ত আরো অন্য চারটি দেশ হল: গিনি, লাওস, কেনিয়া ও পাপুয়া নিউগিনি।
২০১৪ সালে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ডেনমার্ক যার স্কোর ৯২। ৯১ স্কোর পেয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড যার স্কোর ৮৯। ৮ স্কোর পেয়ে ২০১৪ সালে তালিকার সর্বনিম্নে অবস্থান করছে যৌথভাবে সোমালিয়া ও উত্তর কোরিয়া। ১১ ও ১২ স্কোর পেয়ে তালিকার সর্বনিম্নের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দেশ হিসেবে রয়েছে যথাক্রমে সুদান ও আফগানিস্তান।
সূচকে স্কেলের ০ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত এবং ‘১০০’ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণার মাপকাঠিতে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত বা সর্বোচ্চ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত দেশ বলে ধারণা করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের সিপিআই এ ফেব্রুয়ারি ২০১১ থেকে আগস্ট ২০১৪ পর্যন্ত সময়ের তথ্য সংগৃহীত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল। আরো উপস্থিত ছিলেন টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যবৃন্দ এম হাফিজউদ্দিন খান ও ড. এটিএম শামসুল হুদা এবং উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের। সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা কামাল বলেন, “দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপক বিস্তার এবং জবাবদিহিতার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের দরিদ্র জনগণ। আমরা সরকারের কাছ থেকে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাইনি। সেকারণে রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী কার্যকরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে। যেকোনো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য হচ্ছে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয় হয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের দাবি উত্থাপনে সোচ্চার হওয়া। দুর্নীতি দূর করতে হলে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যম, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
. জামান অভিমত প্রকাশ করে বলেন, “বিভিন্ন কারণে সিপিআই সূচকে এবছর ক্রমাবনতি হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘাটতি, কার্যকরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রনের দৃষ্টান্তের অভাব, দুদকের স্বাধীনতা খর্ব করার অপপ্রয়াস, পদ্মাসেতু প্রকল্প, রেলওয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, শেয়ারবাজার, হলমার্ক ও ডেসটিনি এবং সোনালী ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়ম, রানা প্লাজার ঘটনার ব্যাপারে শৈথিল্য, ক্ষমতাবানদের বৈধ আয়ের সাথে সামঞ্জস্যহীন সম্পদের বৃদ্ধি, খেলাপী ঋণের দৌরাত্ম্য, সংসদসহ সংশ্লিষ্ট জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা, নিয়োগ বাণিজ্যের রাজনীতিকীকরণ এবং ভূমি ও নদী-জলাশয় দখলের মহোৎসব।”
তিনি আরো বলেন, “বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুদককে অনেক সময়ই দেখা গেছে সরকারের এক প্রকার বি-টিমের ভূমিকা পালন করতে।” এ প্রসঙ্গে ড. জামান বলেন, “সিপিআই সম্পর্কে যথাযথ ধারণার অভাবে মনে করা হয় বাংলাদেশ বা তার অধিবাসীরা দুর্নীতিগ্রস্ত। বাস্তবে দেশের আপামর জনগণ দুর্নীতিগ্রস্ত নয়। তারা দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী মাত্র। ক্ষমতাবানদের দুর্নীতি ও তা প্রতিরোধে দেশের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের ব্যর্থতার কারণে দেশ বা জনগণকে কোনোভাবেই দুর্নীতিগ্রস্ত বলা যাবে না।”
সিপিআই ২০১৪ এর জন্য বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সূত্র হিসেবে ৭টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যথাক্রমে: বার্টেলসমান ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ট্রান্সফরমেশন ইনডেক্স, ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্র্তৃক পরিচালিত কান্ট্রি রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট্‌, গ্লোবাল ইনসাইটের কান্ট্রি রিস্ক রেটিংস্‌, পলিটিক্যাল রিস্ক সার্ভিসেস এর ইন্টারন্যাশনাল কান্ট্রি রিস্ক গাইড, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি পলিসি অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল অ্যাসেসমেন্ট, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের এক্সিউকিউটিভ ওপিনিয়ন সার্ভে এবং ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্ট পরিচালিত রুল অব ল ইনডেক্স এর রিপোর্টসমূহের জরিপ ব্যবহৃত হয়েছে ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সিপিআই নির্ণয়ে টিআইবি কোনো ভূমিকা পালন করে না। এমনকি টিআইবি’র গবেষণা থেকে প্রাপ্ত কোনো তথ্য বা বিশ্লেষণ সিপিআই-এ প্রেরণ করা হয় না। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের টিআই চ্যাপ্টারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অন্যান্য দেশের টিআই চ্যাপ্টারের মতই টিআইবি দুর্নীতির ধারণা সূচক স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ করে মাত্র।

Media Contact