• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

TIB calls for using ICT to openly disclose and ensure access to parliamentary information (Bangla)

সংসদ বিষয়ক তথ্যের উম্মুক্ততা, স্বচ্ছতা ও সহজলভ্যতা নিশ্চিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের আহ্বান টিআইবি’র
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ও ২৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদের সকল কার্যক্রমের তথ্য স্বপ্রণোদিতভাবে ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ সহজে অভিগম্য পদ্ধতিতে জনগণের কাছে প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণে জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে গত ১৪ সেপ্টেম্বর স্পিকারের নিকট প্রেরিত এক আবেদনে এ আহ্বান জানানো হয়।
আজ এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জাতীয় সংসদকে অধিকতর কার্যকর করতে, এর কার্যক্রমে জনগণের আস্থা অর্জন এবং সর্বোপরি সংসদের স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের কার্যক্রমসহ গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া, পদ্ধতি ও গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের তথ্য স্বপ্রণোদিতভাবে জনগণের জন্য উম্মুক্ত করা গণতন্ত্র ও সুশাসনের পূর্বশর্ত।”
তিনি বলেন, “সংসদীয় কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির বহুমুখী প্রয়োগ করা হলে সংসদ বিষয়ক তথ্যে জনগণের অভিগম্যতার নিশ্চয়তা নতুন মাত্রা যোগ করবে। এর ফলে একদিকে সংসদ ও জনগণ এবং অন্যদিকে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক দূরত্ব কমিয়ে আনা সম্ভব।”
তিনি আরো বলেন, “বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্র কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে জনআস্থার নিম্নগামী প্রবণতার পটভূমিতে সংসদ ও সংসদ সদস্যদেরকে জনগণের সাথে সেতুবন্ধন তৈরিতে পৃথিবীর বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে ইতোমধ্যে প্রযুক্তি-নির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ ধরনের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারী সংসদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পিছিয়ে থাকার কোনো যুক্তি নেই। তুলনামূলকভাবে স্বল্প খরচে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।”
জনগণকে সংসদ বিষয়ক ও সংসদ কর্তৃক উৎসারিত সকল তথ্যের মালিক অভিহিত করে ড. জামান তথ্যের উম্মুক্ততা প্রতিষ্ঠায় ২০০৯ সালের তথ্য অধিকার আইনের আলোকে স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। টিআইবি মনে করে সরকারের অনুমোদিত জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের আওতাভুক্ত অন্যতম প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদে উন্নততর স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা বিতর্কের ঊর্ধ্বে।
পটভূমি: উল্লিখিত বিষয়ে বিশ্বব্যাপি সংসদ পর্যবেক্ষণকারী বেসরকারি সংগঠনসমূহের উদ্যোগে ২০১২ সালের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রণীত সংসদীয় উম্মুক্ততার ঘোষণার ধারাবাহিকতায় টিআইবি’র পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। সংসদীয় উম্মুক্ততার এই নীতি কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন ও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সমর্থিত। ঘোষণাপত্রটি ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২ টিআইবি কর্তৃক জাতীয় সংসদের স্পিকারের সমীপে উপস্থাপন করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সংসদ পর্যবেক্ষণে কর্মরত প্রতিষ্ঠানসমূহের বৈশ্বিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে টিআইবি জাতীয় সংসদের নিকট উল্লিখিত আবেদন জানায়।

Media Contact