• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Chief Whip's sensational and anti-constitution remarks is an ominous sign for democracy and good governance: TIB (Bangla)

চীফ হুইপের চাঞ্চল্যকর সংবিধান বিরোধী বক্তব্য গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি
ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪: গত ৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার পটুয়াখালির বাউফল উপজেলা সদরে এক গণ-সংবর্ধনায় “ক্রেস্ট না, ক্যাশ চাই, ক্যাশ” মর্মে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজের চাঞ্চল্যকর বক্তব্যকে গণতন্ত্র এবং সুশাসনের জন্য অশনিসংকেত চিহ্নিত করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) অনতিবিলম্বে উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। একই সাথে এরূপ লাগামহীন দুর্নীতি সহায়ক অবস্থান সংসদে চীফ হুইপের পদের মর্যাদার সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিবেচনার জন্য সংসদ নেতার ও স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানায় টিআইবি।
আজ এক বিবৃতিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জাতীয় গণমাধ্যমে এবং স্থানীয় কেবল চ্যানেলে প্রচারিত চীফ হুইপের উক্ত বক্তব্য শুধু ন্যাক্কারজনকই নয় বরং তা দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্য এক অশনিসংকেতও বটে। সম্বর্ধনার জন্য উপঢৌকন হিসেবে ক্রেস্টের পরিবর্তে নগদ অর্থ প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির প্রকাশ্য জনসভায় এধরনের নজিরবিহীন বক্তব্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি নির্মূলের অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক। একইভাবে প্রকাশ্যে টাকা চাওয়া দুর্নীতিরই নামান্তর যা অন্য দুর্নীতিবাজদের উৎসাহিত করবে। এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার এবং জাতীয় সংসদ কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন তা দেশবাসীকে জানাবার জন্য আহ্বান করছি। সংবিধানের ২০() অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অনুপার্জিত আয়কে পরিষ্কারভাবে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অতএব জাতীয় সংসদের সদস্য, এমনকি চীফ হুইপ পদে আসীন একজন ব্যক্তির পক্ষে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের ঘোষণা দিয়ে শুধু দুর্নীতি সহায়ক অবস্থানই নেননি, বরং সংবিধান লংঘন করেছেন। আমরা আরো উদ্বিগ্ন এ কারণে যে, ইতোপূর্বে যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন তাদের নিকট দশ লক্ষ টাকা করে চাঁদা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছিল। সরকারের এরূপ অবস্থান রাজনীতি ও সরকার পরিচালনায় নৈতিকতা বিবর্জিত অন্ধকার জগতে নিমজ্জিত করবে।”
নির্বাচন করতে অনেক (টাকা) লাগে’ মর্মে চীফ হুইপের বক্তব্যকে ঠাট্টা-তামাশা নয়, বরং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যায়িত করে নির্বাচনে কালো টাকা এবং রাজনীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের যে ধারা সাম্প্রতিক কালে হলফনামা সহ বিভিন্নভাবে প্রকাশিত হচ্ছে তারই এক লাগামহীন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের ইঙ্গিত বলে ড. জামান অভিমত প্রকাশ করেন।
নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে চীফ হুইপ গণমাধ্যমকে যে সাফাই যুক্তি দেখিয়েছেন তাও পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য বলে ড. জামান মন্তব্য করেন।
. জামান অনতিবিলম্বে উল্লিখিত আত্মঘাতী বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সংসদ নেতার অবস্থান পরিস্কার করার আহ্বান জানান এবং নবম সংসদে উত্থাপিত সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি খসড়া আইনটি প্রণয়নের দাবি জানান।

Media Contact