• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Money-driven control of global cricket will invite further risk of corruption; TIB condemns proposed discriminatory two-tiers system of test cricket

TIB condemns proposed discriminatory two-tiers system of test cricket;
Money-driven control of global cricket will invite further risk of corruption
Dhaka, 28 January 2014. Transparency International Bangladesh (TIB) strongly condemns the proposed two-tiers system of test matches and money driven control of cricket; and calls upon ICC and all national cricket authorities including Bangladesh to do everything possible to prevent such self-defeating reforms.
Iftekharuzzaman, Executive Director of TIB said, “the proposed two-tiers system is highly discriminatory, conspiratorial and unjustified. It will eliminate relatively newer test playing nations like Bangladesh from the global cricketing arena, which is absolutely unacceptable”.
Nothing but a fear of being defeated by teams like Bangladesh who have already demonstrated the capacity to win against the so-called elite teams can explain such a cowardly and ill-motivated move,” he said.
We also call for rejecting the proposal to delink ICC from the future tour programmes (FTP) which will convert FTP into exclusive domain of bilateral arrangements”, the TIB statement said.
We are deeply concerned that the proposed changes will create concentration of power in the so-called big three (Australia, India and UK). There will be no effective representation of other cricketing nations in governance of global cricket. The creation of reserved places for the three in the proposed four-member executive committee of ICC will create the scope of abuse of power with a full range of unaccountable authority which cannot serve the interest of the game. All these are contradictory to good governance in global cricket, to which ICC is committed to”, said Iftekharuzzaman.
The statement further said that the proposed reforms will transform the ‘gentleman’s game’ of cricket into a business enterprise for quick profit at the expense of sportsmanship, morality and level playing field. The priority given to money power will expose cricket to further risks of corruption both on and off the field, which is unacceptable and must be rejected without any hesitation.
A joint statement issued on 27 January by 9 cricket loving national chapters of Transparency International (TI) in Australia, Bangladesh, India, Jamaica, Netherlands, Pakistan, Sri Lanka, Trinidad & Tobago and United Kingdom is attached. The statement has been directly sent to ICC and BCB.
 
টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তাবিত দুই স্তরের বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে টিআইবি;
বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যবসা-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ দুর্নীতির ঝুঁকি বাড়াবে
ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি ২০১৪: প্রস্তাবিত দুই স্তরবিশিষ্ট টেস্ট ক্রিকেট ও ব্যবসা-ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও বাংলাদেশসহ সকল জাতীয় ক্রিকেট সংস্থাকে এধরনের অন্যায় পদ্ধতি গ্রহণ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে বলেন, “প্রস্তাবিত দুই স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থাটি অত্যন্ত বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক ও চক্রান্তমূলক। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশসহ টেস্ট ক্রিকেটে অপেক্ষাকৃত নতুন দেশগুলো বিশ্ব ক্রিকেট হতে হারিয়ে যাবে, যা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে যোগ্যতা প্রমাণকারী বাংলাদেশের মতো উদীয়মান দলের কাছে তথাকথিত শক্তিশালী দলগুলোর হেরে যাওয়ার ভয় থেকেই এই ধরনের একটি কাপুরুষোচিত ও অসৎ উদ্দেশ্যমূলক পদ্ধতির প্রস্তাব।”
টিআইবি আইসিসি’কে ভবিষ্যত ট্যুর প্রোগ্রাম পরিচালনার দায়িত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানাচ্ছে। টিআইবি মনে করে, আইসিসি’র নজরদারি যদি ট্যুর প্রোগ্রামে না থাকে তাহলে ক্রিকেট খেলার আয়োজন দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ওপর পরিপূর্ণ নির্ভরশীল হবে যা একদিকে বৈষম্যমূলক অন্যদিকে অগণতান্ত্রিক।
আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে, প্রস্তাবনাগুলো গৃহিত হলে বিশ্ব ক্রিকেটের পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তথাকথিত তিন বৃহৎ শক্তির (অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও যুক্তরাজ্য) করাভূত হবে। এতে আইসিসিভূক্ত অন্য দেশগুলোর কোন বাস্তব প্রতিনিধিত্ব থাকবে না। প্রস্তাবিত চার সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে উক্ত তিন দেশের জন্য সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব জবাবদিহিতার উর্ধ্বে ক্ষমতার অপব্যবহারের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা কোন অবস্থায়ই বিশ্ব ক্রিকেটের সুশাসন ও ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্য সহায়ক নয়।
প্রস্তাবিত সংস্কার ‘ভদ্রলোকের খেলা’ হিসেবে পরিচিত ক্রিকেটকে দ্রুত আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার একটি বাণিজ্যিক উদ্যোগে পরিণত করবে। যার ফলে খেলোয়াড়ি মনোভাব, নৈতিকতা এবং সুষম ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মূল্যবোধ বিসর্জিত হবে। ব্যবসা-ভিত্তিক ক্ষমতাকে প্রাধ্যন্য দেওয়া হলে ক্রিকেট জগতের খেলার মাঠে ও বাইরে দুর্নীতির ঝুঁকি বাড়াবে যা নিতান্তই অগ্রহণযোগ্য। ড. ইফতেখারুজ্জামান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)সহ ক্রিকেটের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে জাতীয় স্বার্থকে অন্যসব বিবেচনায় উর্ধ্বে প্রাধান্য দিয়ে বৈষম্যমূলক ও ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সকল প্রস্তাব প্রত্যাখানের আহ্বান জানান।
ক্রিকেটপ্রেমী দেশগুলোর মধ্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের ৯টি জাতীয় চ্যাপ্টার অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, জ্যামাইকা, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং যুক্তরাজ্য কর্তৃক ২৭ জানুয়ারি প্রকাশিত যৌথ বিবৃতি এইসঙ্গে সংযুক্ত করা হল। এ বিবৃতিটি ইতোমধ্যে সরাসরি আইসিসি ও বিসিবি কে প্রেরণ করা হয়েছে।
 
Click here for joint statement by 9 TI Chapters from cricket playing countries including Australia, Bangladesh, India, Jamaica, Netherlands, Pakistan, Sri Lanka, Trinidad & Tobago and United Kingdom.

Media Contact