• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

TIB and RAC are frustrated for assenting to ACC Bill 2013 by the President (Bangla)

সংশোধিত দুদক বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রদানে টিআইবি ও র‌্যাকের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ

ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০১৩: জজ, ম্যাজিস্ট্রেট ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়েরে সরকারের পূর্বানুমতির বিধান সম্বলিত দুদক (সংশোধনী) বিল, ২০১৩ এ রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও রিপোটার্স এগেইন্সট করাপশন (র‌্যাক) গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ১৯ নভেম্বর গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে আলোচ্য বিলটিতে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর সংগ্রহ করার ঘটনায় আজ এক যৌথ বিবৃতিতে র‌্যাক ও টিআইবি তীব্র নিন্দা জানায়।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “গত ১৭ নভেম্বর প্রেরিত পত্রের মাধ্যমে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ-পূর্বক দুদক (সংশোধনী) বিল পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আমরা আবেদন করেছিলাম। এরপর ১৯ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে সংবাদ মাধ্যমের সহায়তায় বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে আমাদের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছি। সংশোধনীটি যে সংবিধান পরিপন্থী, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের সাথে সাংঘর্ষিক ও জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন এ বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আমরা রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাই। তা সত্ত্বেও আমরা এটি জেনে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ যে একই দিনে বিলটিতে এক প্রকার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাষ্ট্রপতির সম্মতি গ্রহণ করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আলোচ্য বিলটি ফেরত পাঠানোর পক্ষে একদিকে সাংবিধানিক যৌক্তিকতা ও অন্যদিকে জনস্বার্থ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার পরেও জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করে দুদক (সংশোধনী) বিলে সম্মতি প্রদান করে রাষ্ট্রপতি গণবিরোধী ও দুর্নীতি সহায়ক শক্তির কাছে পরাভূত হয়েছেন কিনা এ প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়াই স্বাভাবিক।”

. জামান বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান হওয়া সত্ত্বেও উল্লিখিত ধারার বলে বিশেষ একটি শ্রেণিকে কার্যত বৈষম্যমূলকভাবে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ব্যাপারে রাষ্ট্রপতি যখন বিনা বাক্য ব্যয়ে একমত হন, তখন জনগণ গভীর হতাশায় নিমজ্জিত হয়।”

র‌্যাক ও টিআইবি আরো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এই কারনে যে নতুন সংশোধনী অনুযায়ী দুদকের সচিব নিয়োগের এখতিয়ার সরকারের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। অথচ ইতিপূর্বে এই ক্ষমতা দুদকের হাতে ছিল। এই পরিবর্তনও দুদকের স্বাধীনতাকে ব্যাপকভাবে খর্ব করবে।

গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে টিআইবি ও র‌্যাকের পক্ষ থেকে বলা হয়, উল্লিখিত কালো ধারাগুলোসহ দুদক বিলটি আইনে পরিণত হওয়ায় একদিকে দুদকের কার্যকর হবার যা-ও সম্ভাবনা ছিল তা যেমন পদদলিত হল, তেমনি অন্যদিকে সরকার কাঠামোয় ক্রমবর্ধমানভাবে প্রভাবশালী এক অশুভ চত্রের তৎপরতায় দেশে দুর্নীতির গভীরতর ও ব্যাপকতর বিস্তার ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি প্রসারের সুযোগ সৃষ্টি হল। এর দায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলকে অবশ্যই বইতে হবে।

Media Contact