• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

CCC-YES Convention, 2009-10 Declaration

সংবাদবিজ্ঞপ্তি

সনাক ও ইয়েস সম্মেলনে

দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর করার জোর দাবি

১০ অক্টোবর, ২০০৯: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) - এর অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এবং ইয়ুথ এনগেইজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপসমূহের প্রায় দুই হাজার সদস্য দেশে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর করার জন্য সরকার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নাগরিকসমাজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে টিআইবি আয়োজিত সনাক ও ইয়েস এর বার্ষিক সম্মেলনে তারা এ আহ্বান জানান।

দুর্নীতির বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলে ন্যায়ভিত্তিক, সুশাসিত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার গ্রহণের সাথে সাথে স্বাধীন, দক্ষ ও

কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন যাতে দুর্নীতি রোধে সক্রিয় ও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য দাবি জানানো হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিপুল গণরায়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নবম জাতীয় সংসদকে একটি সত্যিকার কার্যকর সংসদ হিসেবে প্রতিষ্ঠারও জোর দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে সরকার, সিভিল সোসাইটিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয় সম্মেলনে।

সকাল নয়টায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম. হাফিজউদ্দিন খান। জাতীয় সঙ্গীত ও টিআইবি থিম সং পরিবেশনের মাধ্যমে দিনব্যাপী সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়।

উদ্বোধনী অধিবেশনে প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীও অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।

সম্মেলন উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারপারসন ড. হিউগেট লেবেল। তিনি বলেন, ‘‘এই বার্ষিক সম্মেলন আপনাদের অতীতের কাজ মূল্যায়ন করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণে সহায়তা করবে। আমাদের আন্দোলনের ক্ষেত্রে এটি একটি ব্যতিক্রমী ও অনন্য সাধারণ প্রয়াস যার জন্য আমি টিআই, বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাতে চাই।” সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মেলন সমন্বয়ক ও সনাক সাভারের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন খান। উদ্বোধনী অধিবেশনে ইয়েস ওয়েবসাইটের (www.ti-bangladesh.org/yes) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এসময় মিডিয়া, এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্যানেল আলোচনায় অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, “দুর্নীতি শুধু নীতির বিরুদ্ধেই কাজ করেনা, এটা উন্নয়ন অগ্রগতি থেকে শুরু করে সকলের বিপক্ষেই কাজ করে। সুতরাং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে রুখে দাঁড়াতে হবে।” বিশেষ করে তিনি তরুণদের এ ব্যাপারে সোচ্চার ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল তাঁর বক্তব্যে বলেন, তরুণরা হচ্ছে সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি। তারুণ্যের মেধা, শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম চালাতে হবে। দুর্নীতি রোধের প্রচেষ্টায় আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিতে হবে এবং সংগ্রামে সফল হতে হবে। সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘‘দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি সনাক ও ইয়েস। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকারের মতো সেবামূলক খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীসহ সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারের দাবি সকল ক্ষেত্র থেকে জোরালোভাবে উঠে এসেছে। আমরা চলি সত্য ও ন্যায়ের পথে। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আমরা কোন হুমকি ও বাধার মুখে হার মানবো না।”

জনগণের তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের পথে বিরাজমান সকল প্রতিকূলতা উত্তরণে গণমাধ্যমসহ মত ও তথ্য প্রকাশেরস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত সকলের নিরাপত্তা বিধান কল্পে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণসহ উদ্যোগী ভূমিকা এবং যুদ্ধাপরাধসহ সকল প্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়।

মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সততা, স্বচ্ছতা, সমতা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমি থেকে নারী-পুরুষের বৈষম্যসহ সকল প্রকার শোষণ ও বৈষম্য অবসানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সনাক ও ইয়েস সদস্যগণ দুর্নীতিকে সর্বান্তকরণে ঘৃণা এবং নিজ নিজ অবস্থানে থেকে একক ও সমষ্টিগতভাবে দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত রাখার সংকল্প ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিবৃন্দ তাদের নিজস্ব এলাকায় সংগঠিত কার্যক্রম ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং তার ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন সম্প্রসারিত ও দৃঢ়তর করার অঙ্গীকার করেন। সন্ধ্যায় দেশের বিশিষ্ট শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গণমাধ্যমযোগাযোগ

রিজওয়ান-উল-আলম

পরিচালক

আউটরিচঅ্যান্ডকমিউনিকেশন

ফোন: ০১৭১৩০৬৫০১২

-মেইল: rezwan@ti-bangladesh

 

Convention Declaration

Dhaka, October 10, 2009. The annual convention of the Committee of the Concerned Citizens (CCC) and Youth Engagement and Support (YES), the twin forum of anti-corruption activists formed at the initiative of Transparency International Bangladesh (TIB), was held on 10 October 2009 at the Bangabandhu International Conference Centre, Dhaka.

More than two thousand delegates representing 36 CCC areas out of Dhaka and 52 YES groups, including 16 YES groups from Dhaka, participated in this Convention.

A panel discussion on ‘Anti-corruption movement: citizens’ engagement; youth’s vibrancy’ was also held in the inaugural session. Professor Abdullah Abu Sayeed, Secretary General of the TIB Board of Trustees and Advocate Sultana Kamal Treasurer of the Board took part in the panel. They stressed the link between corruption and violation of human rights in such vital areas as education, health and justice. They emphasized the importance of the promotion of rule of law as a prerequisite for good governance and for effectively fighting corruption.

Chairman of TIB Board of Trustees, and former adviser to the caretaker government M Hafizuddin Khan, inaugurated the Convention. Former chairman of TIB Board, Prof Mozaffer Ahmad also spoke.

Dr. Iftekharuzzaman, Executive Director of TIB delivered the welcome address and conducted the Convention in which nearly one hundred delegates spoke. Dr. Zaman reviewed the achievements, experiences and lessons of CCC-YES activists throughout the past year. He told the Convention that the CCC became the key pillars and the YES the key movers of TIB's social movement against corruption. As a result credit for TIB's achievements especially the institutional and policy reforms at the national level as well as positive changes catalyzed at the service delivery level in such vital sectors as health and education were due to the CCC-YES activists. But there was a long way to go to be able to effectively control corruption, which was not going to be easy, nor without risks. He called upon all concerned to redouble their efforts to rally against corruption with higher levels of courage, integrity, transparency and commitment.

In a video message Dr. Huguette Labelle, Chair, Transparency International termed young people as not only ‘our future’, but also as ‘our present’. She noted YES young people are already making a difference in Bangladesh and congratulated TIB for spearheading a movement of the people, by the people, with the people and of the people. She also told the Convention many of the creative work done by TI-Bangladesh inspired the movement worldwide and the Secretariat in Berlin. The Convention adopted a Declaration reiterating the commitment of the CCC-YES movement to intensify their corruption prevention campaign.

The participants called upon the Government of Bangladesh to work with full commitment towards meeting their election pledge to make the parliament affective. They also demanded that the opposition parties in the parliament should abandon the politics of boycott, return to the parliament and work jointly towards making this key institution of democracy effective.

The Convention called upon the Government to allow the Anti-corruption Commission independently and effectively. Commending the Government for enacting the Right to Information Act, the Convention urged upon all stakeholders, particularly the Government, the newly-set up Information Commission, the public officials, NGOs, civil society, private sector and the media to play their due role in implementing the Act which could go a long way in fighting corruption in Bangladesh. The Information Commission must be sufficiently empowered and resourced, the Declaration said.

The Convention was concerned that the Government was retreating from its electoral commitment to empower the local government, and urged upon the Government to refrain from any measures that would prevent free, fair and transparent elections to the local government bodies.

The CCC-YES activists demanded fulfillment of the Government's electoral pledge to ensure independence and integrity of such vital institutions as the judiciary, public service and law enforcement agencies, particularly the police, failing which the prospect of democracy, good governance and anti-corruption will be a pipe-dream.

The Convention called upon the authority to control the illegal activities of the private sector, especially the business syndicates that control the market through corrupt practices and prevent competitive market system to develop and lead to unbearable level price rise of essential commodities.

The Convention demanded full transparency and disclosure of terms of bilateral and international agreement reached by the Government, especially on matters of public interest in the field of use of the countries natural and economic resources. The participants called upon the parliament to hold open discussion on such vital matters of national interest, and engage the citizens at large in vital decision-making like these, especially leading members of the civil society, NGOs and relevant experts. The culture of secrecy on these matters will be self-defeating for national interest, the Convention alerted.

The participants called upon the Government to ensure the land rights of the indigenous communities in both hilly and plain regions, according constitutional recognition of their rights, as well as those of the other disadvantaged sections of the society, particularly the persons with disabilities and special needs.

The Convention stressed that fighting corruption and fighting human rights violations are closely linked with each other. Participants called upon the Government to build capacity, independence and effectiveness of the Human Rights Commission. They also demanded that those guilty of all sorts of human rights violations including the war criminals and extra-judicial killings must be brought to justice without delay and without fear or favour.

The Convention also demanded full transparency in all stages and process of public procurement at both national and local levels. Failure of the Government to control the growing trend of politicization and abuse of power in the tendering process will be self-defeating for the Government, the Declaration said.

The Convention was concerned that the media professionals were increasingly coming under threat of intimidation and insecurity from people in positions of power in the course of discharge of their professional duty. Participants called upon the Government to take immediate steps to arrest this trend and allow the law take its own course.

The Convention urged upon all stakeholders particularly the Government, the political authority to demonstrate the political will against corruption. Participants called upon the private sector, NGOs, media and the citizens at large to do everything possible in their capacity to strengthen the voice and demand against corruption in Bangladesh.

A YES webpage was also launched at the Convention which was rounded off with a colorful musical programme, coupled with a dazzling laser show on glorious history of Bangladesh’s independence. The underlying spirit of Bangladesh's independence, especially establishing democracy, justice, human rights, democratic institutionalization, and promoting good governance by effectively controlling corruption were actively mainstreamed in the proceedings.