• header_en
  • header_bn

সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), মুক্তাগাছা - এর সদস্য এ. কে. এম. মাহবুবুর রহমান এর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), মুক্তাগাছা - এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এ. কে. এম. মাহবুবুর রহমান (জন্ম: ০১ জানুয়ারি ১৯৫৪) এর মৃত্যুতে টিআইবি পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ ডায়াবেটিসজনিত সমস্যাসহ উচ্চ রক্তচাপ রোগে ভুগছিলেন। হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করায় চিকিৎসার জন্য ১৮ অক্টোবর ২০২০ বিকাল ৫.০০ টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।    এ. কে. এম. মাহবুবুর রহমান সনাক সদস্য হিসেবে ২০ ডিসেম্বর ২০০০ হতে সনাক, মুক্তাগাছা - এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। 
বিশিষ্ট আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও সমাজসেবক এ. কে. এম. মাহবুবুর রহমান মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সনাক, মুক্তাগাছা - এর পাশাপাশি মুক্তাগাছা পৌর পাঠাগারের আজীবন সদস্য, হাজী কাশেম আলী ডিগ্রী (অনার্স) কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ১৯৮৭ সালে ময়মনসিংহ বারে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে পরবর্তীতে সুপ্রীম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। এছাড়া তিনি জজ কোর্ট, ময়মনসিংহের সরকারি অধিবক্তা (Government Pleader-GP) হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে এ. কে. এম. মাহবুবুর রহমান এর অবদান আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। 
টিআইবি’র সাধারণ পর্ষদ, ট্রাস্টি বোর্ড, সকল কর্মী, দেশের ৪৫টি এলাকার সনাক, স্বজন, ইয়েস, ইয়েস ফ্রেন্ডস, ঢাকা ইয়েস, ওয়াইপ্যাক-এর সদস্যসহ সকলের পক্ষ থেকে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।