• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

সনাক, কিশোরগঞ্জ - এর সদস্য এম. এ. কাইয়ুম এর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), কিশোরগঞ্জ - এর সদস্য এম. এ. কাইয়ুম (জন্ম: ০১ অক্টোবর ১৯৪২) এর মৃত্যুতে টিআইবি পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। ২৩ মে ২০১৯ ঢাকার রায়ের বাজার এলাকায় ছোট মেয়ের বাসায় রাত ৮.০০ মিনিটে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। 
সনাক, কিশোরগঞ্জ - এর সাথে জুলাই ২০০৮ থেকে সম্পৃক্ত হয়ে এম. এ. কাইয়ুম স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ এম. এ. কাইয়ুম মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সনাক, কিশোরগঞ্জ - এর পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। প্রচারবিমুখ এ কীর্তিমানের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে আর্টিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর ও রাজশাহীর বরেন্দ্র জাদুঘরের সিনিয়র ডিসপ্লে অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘরের সামনে জয়নুল আবেদীনের বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘সংগ্রাম’ কে তিনি ভাস্কর্যে রূপান্তর করেন। এম. এ. কাইয়ুম বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত অসংখ্য বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: লোকচিত্রের রূপ-বৈচিত্র, কিশোরগঞ্জের লোকজ ঐতিহ্য ও চারুকলা, রেখাচিত্রে বাঙালি মনীষা, আদি শিল্প: চিরন্তন সংস্কৃতি ইত্যাদি। মৃত্যুকালে তিনি চার কন্যা ও এক পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে এম. এ. কাইয়ুম এর অবদান আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ড ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সকল কর্মী, দেশের ৪৫টি এলাকার সনাক, স্বজন, ইয়েস, ইয়েস ফ্রেন্ডস, ঢাকা ইয়েস এবং ওয়াইপ্যাক এর সদস্যসহ সকলের পক্ষ থেকে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।