• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

দুর্নীতি প্রতিরোধ অসম্ভব নয়

দুর্নীতি বাংলাদেশের অন্যতম জাতীয় সমস্যা। দেশের উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, সুশাসন ও সার্বিকভাবে ইতিবাচক সমাজ পরিবর্তনের পথে দুর্নীতি এক কঠোর প্রতিবন্ধক। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ (টিআইবি) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্ভরযোগ্য গবেষণা অনুযায়ী কার্যকর দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশের বেশি হতে পারত। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে যোগসাজশের দুর্নীতি রানা প্লাজাকে গ্রাস করেছিল, তার ফলেই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক কর্মী বাহিনীর প্রায় এক হাজার ২০০ তাজা প্রাণকে মর্মান্তিক মৃত্যুবরণ করতে হয়।
দুর্নীতির ক্ষতিকর প্রভাব ও এর কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অপরিহার্যতার স্বীকৃতি পাওয়া যায় রাজনৈতিক ও সরকারি প্রতিশ্রুতিতে। রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহার, সরকারের বাৎসরিক বাজেট বক্তৃতা, বাৎসরিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, দীর্ঘমেয়াদি ভিশন ২০১০-২১ ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ দলিলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের গুরুত্বের স্বীকৃতির পাশাপাশি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার লিপিবদ্ধ থাকে।
তবে সমস্যা হয়, যখন এসবেরই সমর্থনে ও সহায়ক ভূমিকার প্রয়াসে গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে দুর্নীতিবিষয়ক তথ্য-উপাত্ত ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন বা প্রকাশ করা হয়। সরকার ও রাজনৈতিক মহলসহ ক্ষমতাবানদের একাংশ একধরনের অস্বীকৃতির মানসিকতা, সমালোচনা সইবার সৎ-সাহসের ঘাটতি, সমালোচক মাত্রই শত্রু, সমালোচক কখনো শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারে না এরূপ ভাবধারায় আবদ্ধ থেকে বার্তাবাহককে স্তব্ধ করার প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়েন।
চারদলীয় জোট সরকারের আমলে টিআইবি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রভাবশালী এক মন্ত্রী টিআইবি বন্ধ করে দিতে হবে, দেশের ৬৪টি জেলায় টিআইবির বিরুদ্ধে মামলা করা হবে—এ ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন। তৎকালীন এক সাংসদ বলেছিলেন, সময় হয়েছে টিআইবির বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার। আমরা হতবাক হয়েছি। ভয়ে নয়, ক্ষোভেও নয়—কেবল হতাশায়। কারণ, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছ থেকে আমরা আশা করতে পারিনি যে টিআইবি নয়, বরং তাঁরাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলবেন। যেমন ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের স্বাধীনতা দিবসের এক ভাষণে এই বলে যে একাত্তরের মতো প্রতিটি ঘরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। তাঁর সে প্রত্যয় বাস্তবায়নের আগেই তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।
অবশ্য মতৈক্যের এক বিদ্রূপাত্মক বার্তা দিয়েছিলেন গত মহাজোট সরকারের এক সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক। টিআইবির আরেক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় যখন রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত, তখন তিনি এক জনসভায় বলেছিলেন, টিআইবি তো সব সময়ই বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে। আমরা যখন ক্ষমতায় থাকি, তখন তার প্রতিক্রিয়ায় বলি নাউজুবিল্লাহ; আর যখন বিরোধী দলে থাকি, তখন বলি আলহামদুলিল্লাহ। এর মাধ্যমে একদিকে টিআইবির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া যে অনেক সময় সারবত্তাহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়, তার প্রমাণ পাওয়া যায়; অন্যদিকে প্রতিবেদনের গুরুত্ব, যথার্থতা ও জাতীয় জীবনে এর প্রভাবের ইঙ্গিত মেলে।
টিআইবির বিরুদ্ধে সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের একাংশের হাতে সবচেয়ে সহজলভ্য হাতিয়ার হলো প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের অর্থসূত্র, যা সম্পর্কে অনেকেই জেনেও না জানার ভান করেন। চারদলীয় জোট সরকারের আরেক প্রভাবশালী মন্ত্রী একবার টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন এই যুক্তিতে যে টিআইবি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে অথচ নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডকম ও এনরনের অর্থে পরিচালিত হয়। কয়েক দফা তাঁর এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে ব্যাখ্যা করে জানানো হয় যে টিআইবি সরকারের নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের অনুমতি ছাড়া একটি পয়সাও গ্রহণ বা ব্যয় করতে পারে না, করেও না। একই সঙ্গে আরও জানানো হয় যে টিআইবির অর্থসূত্র এমন কয়েকটি দাতা সংস্থা, যারা বাংলাদেশ সরকারেরও উন্নয়ন-সহযোগী। সর্বোপরি, টিআইবি কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ সংগ্রহ করে না, ওয়ার্ল্ডকম বা এনরন দূরে থাকুক। তিনি ধন্যবাদ জানালেন, বললেন, এ তথ্য তাঁর জন্য সহায়ক হবে। আমরা ভাবলাম, আমরা তাঁকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু তার কয়েক দিনের মাথায় তিনিই আবার বললেন, টিআইবি ওয়ার্ল্ডকম ও এনরনের অর্থে পরিচালিত এক প্রতিষ্ঠান।
টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সংসদে ব্যাপক আলোচনা হয়। মাননীয় সাংসদদের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় হয়। জনগণের অর্থে পরিচালিত গণতন্ত্রের এ সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানে একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এরূপ আলোচনা বিরল। তাই আমাদের গর্বই হওয়ার কথা। তবে পাশাপাশি উৎকণ্ঠা আর হতাশা জাগে এ কারণে যে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় তা আর যা-ই হোক, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের আধেয় সম্পর্কে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধারণানির্ভর থাকে না। সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একজন সম্মানিত সাংসদ প্রশ্ন তুলেছিলেন, কোন অধিকারে বা কার অনুমতিতে টিআইবি সংসদ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম করে থাকে। তাঁকে সবিনয়ে স্মরণ করিয়ে দিতে হয়েছিল যে টিআইবির সব কার্যক্রম কেবল সরকারের অনুমতিক্রমেই পরিচালিত হয়, আর সংসদ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমের অনুমোদনে তাঁরই অবদান ছিল।
দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় আমরা ষড়যন্ত্রকারী ও রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যায়িত হয়েছি। সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থানের কারণে অত্যন্ত প্রভাবশালী এক মন্ত্রী সরাসরি বলেছেন, ‘তোমরা ষড়যন্ত্র করছ, চার হাজার কোটি টাকা সোনালী ব্যাংকের জন্য কোনো ব্যাপারই না।’ আরেক প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অন্য এক মন্ত্রী টেলিফোন করে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, যার সারমর্ম ছিল, আপনি যা-ই করুন না কেন, বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় আনতে পারবেন না। দুর্নীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবমাননা করেছি, এ অপবাদ শুনতে হয়েছে। তাঁকে শুধু এটুকু বলতে পেরেছি যে আমার চেতনায় যে মুক্তিযুদ্ধ আছে, তাতে রয়েছে একাত্তর। এর সঙ্গে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা প্রভাবিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সাংঘর্ষিক বিবেচিত বলে আমার বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই।
দলীয় বিবেচনায় অন্ধত্বের দৃষ্টান্ত হিসেবে শুনতে হয়েছে এমন কথা: টিআইবি এত সুশাসনের কথা বলে, অথচ পঁচাত্তরে কেন নীরব ছিল। বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে হত্যার বিরুদ্ধে টিআইবি কেন কোনো কথা বলেনি। বিভিন্ন স্তরের শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি কথাগুলো বলে চলে গেলেন। তাঁকে পরে বলতে হয়েছে, টিআইবির জন্মই হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। আর টিআইবির কার্যক্রমের ধারণাগত কাঠামোর অন্যতম উৎস ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ দেওয়া বঙ্গবন্ধুর উপরোল্লিখিত ভাষণ, যেখানে তিনি বলেছিলেন দুর্নীতিবিরোধী আইনের কথা, দুর্নীতিবাজ কাউকে ছাড় না দেওয়ার কথা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার কথা, রাজনৈতিক সদিচ্ছার কথা, আর বলেছিলেন ছাত্র-তরুণ-বুদ্ধিজীবীসহ সব নাগরিকের সংঘবদ্ধ গণ-আন্দোলনের কথা।
দুর্নীতির প্রতিবেদনের প্রতি নেতিবাচক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে উপলব্ধি হয়েছে, আমাদের অনেকের ক্ষেত্রেই মুখে বা প্রকাশ্যে যা বলি, তার সঙ্গে ভেতরে বা অন্তরে যা জানি বা বিশ্বাস করি, তার মিল নেই। অসংখ্য অভিজ্ঞতা হয়েছে যে টিভি টক শোয় পাশাপাশি বসে টিআইবির প্রতিবেদনের জোরালো বিরোধিতা করছেন, প্রত্যাখ্যান করছেন, অথচ বিজ্ঞাপন বিরতিতে বা অন্যভাবে আলাপচারিতায় বলছেন, ‘আপনারা যা বলেছেন, বাস্তব চিত্র তো তার চেয়ে আরও খারাপ, আমরা বলতে পারি না, আপনারা মাথা নত করবেন না, চালিয়ে যান।’ এ ক্ষেত্রে আমাদের মতো বেসরকারি সংস্থার সংগঠনের নেতাদেরও কেউ কেউ পিছিয়ে থাকেন না। টিআইবি যখন বেসরকারি সংগঠন খাতের সুশাসনের ঘাটতির ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করল, তখন এ খাতের সহযোদ্ধাদের বলতে শোনা গেছে, টিআইবি নিজের পায়ে কুড়াল মারল। টিভি টক শোয় প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করে অনুষ্ঠান শেষে এমনই একজন বললেন, ‘এনজিওর দুর্নীতির তথ্য আপনার কাছে কতটুকুই বা আছে, আমার কাছে আসবেন, আরও অনেক তথ্য পাবেন।’
এ ধরনের স্ববিরোধিতায় অবাক হই না, তবে অনেক সময় হতাশ হতে হয়। টিআইবির প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় শ্রদ্ধাভাজন মন্ত্রী গণমাধ্যমকে বললেন, টিআইবি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে, মিথ্যাচার করছে, জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অথচ এ বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি নিজে থেকে ফোন করে বললেন, ‘আপনারা প্রতিবেদন করেছেন, দ্বিমত করার সুযোগ নেই। তবে থাকি প্রচণ্ড চাপে, আমার রয়েছে বাড়তি চাপ... তা সত্ত্বেও চেষ্টা করছি।’ সরকারি কাঠামোর কোনো এক পর্যায় থেকে এমনও বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী আইনকানুন রয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আছে, দুর্নীতিবাজকে শাস্তির উপায় রয়েছে, তাই বেসরকারি পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, ‘মুখোশ উন্মোচন করে দেব,’ এমন হুমকিও শুনতে হয়, যদিও হতবাক করার মতো এরূপ প্রতিক্রিয়ার পর বলা হয়েছে, ‘উচিত হয়নি। প্লিজ, ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ।’
তবে এসবের পরও আশার কথা এই যে উল্লিখিত প্রতিক্রিয়া সংশ্লিষ্ট অংশীজনের একাংশের মাত্র, এবং অনেক ক্ষেত্রেই তাৎক্ষণিক ও সাময়িক। অংশীজনদের মধ্যে, বিশেষ করে সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই রয়েছেন যাঁদের সঙ্গে ও যাঁদের মাধ্যমে টিআইবির সুযোগ হয়েছে রাষ্ট্রকাঠামোয় দুর্নীতি প্রতিরোধক শক্তি বৃদ্ধির জন্য সহায়ক আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুঘটকের ভূমিকা পালন করার।
দুর্নীতি দমন আইনের খসড়া টিআইবি কর্তৃক প্রণীত, যার ভিত্তিতে দুদক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশ যে জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের সদস্যরাষ্ট্র, তার পেছনে টিআইবি প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছে। তথ্য অধিকার আইন ও তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা আইন প্রণয়নে টিআইবি অগ্রণী অবদান রাখতে পেরেছে। জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নে টিআইবি যেমন সরকারের সঙ্গে কাজ করেছে, তেমনি এর বাস্তবায়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে এগুলো টিআইবির ভূমিকার কতিপয় দৃষ্টান্তমাত্র। এসবের ফলে বাংলাদেশের দুর্নীতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে, এমনটি বলা যাবে না। বরং এ দেশে দুর্নীতি বেড়েই চলেছে। তবে যে সংস্কারগুলো হয়েছে তার প্রয়োগ ও চর্চা নিশ্চিত করতে পারলে কার্যকর দুর্নীতি প্রতিরোধ মোটেই অসম্ভব নয়।
 
ইফতেখারুজ্জামাননির্বাহী পরিচালকট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)
 
লিখাটি ০৬-১১-১৪ তারিখে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত। লিঙ্ক