• header_en
  • header_bn

Interview: ED সংসদ সদস্যদের বিষয়ে একটি জরিপভিত্তিক গবেষণা সাক্ষাতকার

বিশেষ সাক্ষাৎকার
সাংসদদের নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন তথ্যভিত্তিক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২০০৪ সাল থেকে। অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রিধারী ইফতেখারুজ্জামান ২০০৮ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) আন্তর্জাতিক পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। টিআইবিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন ও কলম্বোভিত্তিক রিজিওনাল সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উন্নয়ন, সুশাসন, দুর্নীতি ও রাজনীতির বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা ও সহযোগিতা তাঁর কাজ ও গবেষণার ক্ষেত্র। এসব বিষয় নিয়ে দেশ-বিদেশে বেশ কিছু গ্রন্থ ও অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ রয়েছে তাঁর।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ কে এম জাকারিয়া

প্রথম আলো সম্প্রতি আপনারা সংসদ সদস্যদের বিষয়ে একটি জরিপভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, সাংসদদের মধ্যে ৯৭ শতাংশই বিভিন্ন নেতিবাচক কাজের সঙ্গে জড়িত। এটা কী জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ধারণার প্রতিফলন, নাকি এর তথ্যগত ভিত্তি রয়েছে?

ইফতেখারুজ্জামান এটা আসলে তথ্যভিত্তিক একটি গবেষণা। স্থানীয় পর্যায়ের সচেতন লোকজনকে আমরা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছিলাম। তাঁদের কাছ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আমরা দেখেছি যে গত তিন বছরে পত্রপত্রিকায় ১৮১ জন সাংসদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বিভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়েছে। এটা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল যে সার্বিকভাবে প্রকৃত অবস্থাটি কী? সেই জায়গা থেকেই আমরা এই গবেষণা চালিয়েছি। মাঠপর্যায় থেকে একধরনের জরিপের মাধ্যমে যে পর্যবেক্ষণ আমরা পেয়েছি, তার সঙ্গে তথ্যানুসন্ধানী গবেষণার ফলাফল হচ্ছে আমাদের এই গবেষণা প্রতিবেদন। এটাকে সে অর্থে জরিপ বলা যাবে না, এটা বরং একটি তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন।

প্রথম আলো স্থানীয় পর্যায়ে যাঁরা অংশ নিয়েছেন, তাঁরা কারা? কিসের ভিত্তিতে তাঁদের আপনারা বাছাই করেছিলেন?

ইফতেখারুজ্জামান আমরা সারা দেশ থেকে ৬০০ সচেতন ভোটারকে বেছে নিয়েছিলাম। দেশের ৪২টি অঞ্চলে ৪৪টি দল গঠন করে আমরা একধরনের দলীয় আলোচনার ব্যবস্থা করেছিলাম। এঁদের মধ্যে স্থানীয় শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীএ ধরনের বিভিন্ন পেশার লোকজন ছিলেন। এই ৪৪টি দলীয় আলোচনা সভার মাধ্যমে আমরা ২২০টি সংসদীয় এলাকার সাংসদদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করেছি। কিন্তু আপনারা দেখবেন যে আমাদের গবেষণা প্রতিবেদনে ১৪৯ জন সাংসদের বিষয়টি স্থান পেয়েছে। কারণ, তথ্য সংগ্রহের পর আমরা তা যাচাই-বাছাই করেছি এবং সেই আসনগুলো নিয়েই আমরা কাজ করেছি, যেগুলোর ব্যাপারে সরাসরি তথ্য রয়েছে। বাকি আসনগুলোর ব্যাপারে সরাসরি তথ্য না পাওয়ায় গবেষণা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা যে ৬০০ জনকে নিয়েছিলাম, তাঁদের সবাই স্থানীয় পর্যায়ের সচেতন লোক এবং তাঁরা খোঁজখবর রাখেন।

প্রথম আলো আপনি যে তথ্যভিত্তিক গবেষণার কথা বললেন, এর যথার্থতা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।

ইফতেখারুজ্জামান দেখুন, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিয়মনীতি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত পদ্ধতি রয়েছে। আমরা এই গবেষণার ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান গবেষণার স্বীকৃত পদ্ধতি ও নিয়মনীতি মেনেই করেছি। আপনারা জানেন, আমরা নিয়মিত সংসদসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করি এবং এ জন্য আমাদের পার্লামেন্ট ওয়াচ বলে একটি বিভাগ রয়েছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে গবেষণার উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে। তবে যেকোনো সমাজবিজ্ঞান গবেষণার মতোই আমাদের এই গবেষণা ফলাফল যে শতভাগ সঠিক, এমন বলা যাবে না। কিছু হেরফের হতেই পারে। কিন্তু তথ্যের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে আমাদের গবেষণায়।

প্রথম আলো এর আগে বিচারব্যবস্থা নিয়ে আপনারা একটি জরিপ প্রকাশ করেছিলেন। তখনো তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। সেই প্রতিবেদন আর সাংসদদের নিয়ে বর্তমান প্রতিবেদনের মধ্যে পদ্ধতিগত পার্থক্য কী?

ইফতেখারুজ্জামান বিচারব্যবস্থার দুর্নীতির বিষয়টি তখন উঠে এসেছিল জাতীয় পর্যায়ে খানা জরিপের মাধ্যমে। খানা জরিপ সমাজবিজ্ঞান গবেষণার একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। আর এবার সংসদ সদস্যদের নিয়ে এই গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা দলগত আলোচনার পদ্ধতি অবলম্বন করেছি। এটাও সমাজবিজ্ঞান গবেষণার একটি স্বীকৃত পদ্ধতি।

প্রথম আলো সংসদ সদস্যদের নিয়ে এই গবেষণা প্রতিবেদন তো ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সরকারি দলের তরফ থেকে খুবই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

ইফতেখারুজ্জামান আমাদের এ ধরনের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে প্রতিক্রিয়া নতুন নয়। সরকারে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সব সময়ই সমালোচনা করেন। আর বিরোধী দলে থাকলে আমাদের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানান। এটা এখন আমাদের কাছে একটি স্বাভাবিক বিষয় হিসেবেই বিবেচিত।

প্রথম আলো সংসদ সদস্যদের নিয়ে এ ধরনের কোনো গবেষণা তো আপনারা আগে করেননি। এ ধরনের গবেষণার পেছনে কেউ যদি অন্য কোনো উদ্দেশ্য খোঁজার চেষ্টা করেন?

ইফতেখারুজ্জামান এটা ঠিক যে আমরা এবারই প্রথম এ ধরনের গবেষণা করেছি। এর পেছনের মূল কারণটি হচ্ছে, এবারই প্রথম আমরা দেখেছি যে দেশের সব রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সুশাসন ও দুর্নীতির ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে অঙ্গীকার করেছে। আগে এ ধরনের কিছু আমরা দেখিনি। শুধু নির্বাচনের আগে অঙ্গীকার নয়, এটা রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে তা বারবার পুনর্ব্যক্তও করা হয়েছে। এ কারণে আমরা মনে করেছি যে রাজনৈতিক দলগুলো যা বলছে, বাস্তবে তার কতটুকু কার্যকর হচ্ছে, সেটার একটা বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন।

 

প্রথম আলো এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য এই সময়টিকে বেছে নেওয়ার পেছনে কোনো কারণ কাজ করেছে কি?

ইফতেখারুজ্জামান বর্তমান সরকার তিন বছর মেয়াদ শেষ করে চার বছর পূর্তির দিকে যাচ্ছে। এই সময়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পেছনে আমাদের যে বিবেচনা কাজ করেছে তা হচ্ছে, সরকার যাতে বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠভাবে উপলব্ধি করে উৎকর্ষ সাধনের চেষ্টা করে। সরকারের হাতে এখনো বছর খানেক সময় রয়েছে। এই সময়টুকু যেন তারা কাজে লাগাতে পারে।

প্রথম আলো অনেক সমালোচক আপনাদের এই প্রতিবেদনকে রাজনীতিবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানে সহায়ক বলে মন্তব্য করেছেন।

ইফতেখারুজ্জামান দেখুন, টিআইবি যে মৌলিক মূল্যবোধ ধারণ করে, সেটা হচ্ছে গণতন্ত্র। জাতীয় সংসদ যেহেতু গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক প্রতিষ্ঠান, তাই এই প্রতিষ্ঠানটিকে আরও কার্যকর করার বিষয়টি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই, সংসদ সদস্যরা গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে তাঁদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন ও সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করুক। সে দৃষ্টিকোণ থেকেই সংসদকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড জোরদার ও সংসদকে আরও কার্যকর করার জন্য টিআইবি কাজ করে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। এর বিকল্প হচ্ছে আরও উন্নততর গণতন্ত্র।

প্রথম আলো সংসদ সদস্যদের নিয়ে আপনাদের প্রতিবেদনের ব্যাপারে বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া হচ্ছেএর দায় পুরোটাই সরকারি দলের সাংসদদের। আপনার মন্তব্য কী?

ইফতেখারুজ্জামান সাধারণভাবে মনে করা হয় যে সরকারি দলের সাংসদেরাই কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সংসদ সদস্য যে দলেরই হোক, তাঁর স্থানীয় পর্যায়ে যথেষ্ট প্রভাব ও কর্তৃত্ব থাকে। ফলে এর অপব্যবহারের সুযোগ থাকে। আমরা যে গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করেছি, সেখানে বিরোধী দল বিএনপির ১৩ জন সাংসদ সম্পর্কে তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন সাংসদের বিরুদ্ধেই নেতিবাচক কাজে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে দায়টা শুধু সরকারি দলের, বিষয়টি তা নয়।

প্রথম আলো টিআইবির এই গবেষণা প্রতিবেদনে সংসদ সদস্যদের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের পাশাপাশি ১০টি সুপারিশ করা হয়েছে। এই সুপারিশ কিসের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে?

ইফতেখারুজ্জামান আমরা এই সুপারিশের ব্যাপারে দুটি ক্ষেত্র থেকেই পাওয়া তথ্য বিবেচনায় নিয়েছি। আমরা যে ৬০০ জনের সঙ্গে আলোচনা করেছি, তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ ও সার্বিকভাবে গণতান্ত্রিক অঙ্গন নিয়ে টিআইবির যে পর্যবেক্ষণ রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে আমরা সুপারিশগুলো তৈরি করেছি। আমাদের সুপারিশগুলোর মূল লক্ষ্য হচ্ছে সংসদ সদস্যদের যে মূল কাজ, অর্থাৎ আইন প্রণয়ন, জনগণের প্রতিনিধিত্ব ও সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করাএগুলোর ব্যাপারে যাতে তাঁদের বেশি মনোযোগী করা যায়। আমরা স্থানীয় সরকারের কাজ থেকে সাংসদদের সরিয়ে আনার সুপারিশ করেছি। কারণ, আমরা দেখছি যে স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার সূত্র ধরে সাংসদেরা অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের পদকে মুনাফা অর্জনের পথ হিসেবে ব্যবহার করেন।

প্রথম আলো কিন্তু এলাকার জনগণ স্থানীয় সংসদ সদস্যদের কাছে অনেক কিছু আশা করেন। স্থানীয় উন্নয়নকাজে যুক্ত না থাকলে তাঁরা তা করবেন কীভাবে?

ইফতেখারুজ্জামান সাংসদেরা স্থানীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণ ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। কিন্তু বাস্তবায়নের কাজ থেকে তাঁদের বিরত রাখতে হবে। এ কাজটি করবে স্থানীয় সরকার। সংসদ সদস্যদের কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই। তাঁদের কাজ জবাবদিহি আদায় করা। এখন তাঁরা নিজেরাই যদি নির্বাহী বা প্রশাসনিক কাজ করেন, তাবে তাঁরা কাদের জবাবদিহি আদায় করবেন?

প্রথম আলো সাংসদদের আচরণবিধির বিষয়টি কতটা জরুরি? ব্রিটেনে হাউস অব কমন্সে এথিকস কমিটি আছে, যারা সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে দেখে। আমাদের এখানে এ ধরনের উদ্যোগ কত দূর?

ইফতেখারুজ্জামান এ ধরনের এথিকস কমিটি শুধু ব্রিটেনে নয়, আরও অনেক দেশেই রয়েছে। বেসরকারি সদস্য বিল হিসেবে সাংসদদের আচরণবিধি-সংক্রান্ত বিল সংসদে উঠেছে। সেখানে এই বিষয়গুলো সবই রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমরা টিআইবির পক্ষ থেকে এই বিলটির খসড়া রচনায় ভূমিকা পালন করেছি। আমাদের জানামতে, বিলটি সংসদীয় কমিটিতে বিবেচনাধীন।

প্রথম আলো তথ্যমন্ত্রী সাংসদদের নিয়ে আপনাদের এই গবেষণা প্রতিবেদনের সত্যতা প্রমাণে আপনাদের ওপর অনেকটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

ইফতেখারুজ্জামান তথ্যমন্ত্রী বা সরকার যে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছেন, তাকে আমরা ইতিবাচক বলে মনে করি। আমরা বলতে চাই, এখানে উপস্থাপিত তথ্য বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই ও বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে যে এটা একটি গবেষণা এবং সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে যে সামান্য হেরফের হওয়ার বিষয়টি স্বীকৃত, তা এ ক্ষেত্রে থাকতে পারে। তবে তথ্যমন্ত্রী বা সরকার আমাদের গবেষণা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখতে পাবেন যে এটা যথার্থ তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই করা হয়েছে। মূল ধারণার ক্ষেত্রে হেরফের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

প্রথম আলো আপনাকে ধন্যবাদ।

ইফতেখারুজ্জামান ধন্যবাদ।

সাক্ষাতকারটি ২৫ অক্টোবর ২০১২ দৈনিক তে প্রকাশিত হয়।                                   

লিঙ্ক