• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Policy Brief by year


  • Policy Brief

    • Policy Brief on Local Government Institutions (Bangla)

      স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সম্প্রতি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়মিত নির্বাচন সম্পন্ন করা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর সংস্কার, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে তথ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন, অন-লাইন জন্ম নিবন্ধনের কার্যক্রম গ্রহণ, ইউনিয়ন পরিষদসহ অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়মিত পৌঁছানোর ব্যবস্থা, ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে নিরীক্ষা কার্যক্রমে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে বেসরকারি নিরীক্ষা সংস্থাকে দায়িত্ব প্রদান, তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা ২০১৫ প্রণয়ন ইত্যাদি। যার ফলশ্রুতিতে স্থানীয় সরকার পদ্ধতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ আগের থেকে বেশি কার্যকর হবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পলিসি ব্রিফ এখানে।

    • বাংলাদেশের বিচারিক সেবায় সুশাসন নিশ্চিতে কিছু সুপারিশ

      ‘সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ’ টিআইবি’র একটি অন্যতম প্রধান গবেষণা কার্যক্রম। ১৯৯৭ সাল থেকে টিআইবি এই জরিপ ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে আসছে। এই জরিপের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খানাগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি ও মাত্রা নিরূপণ করা এবং জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দিক-নির্দেশনামূলক সুপারিশ প্রদান করা। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের জরিপে অন্তর্ভুক্ত খানাগুলো জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর’ ২০১৭ সময়ে বিভিন্ন সেবাখাত বা প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা গ্রহণকালে যে দুর্নীতির সম্মুখীন হয় তার ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ জরিপে বিচারিক সেবাসহ ১৫টি খাতের ওপর বিশ্লেষণধর্মী ফলাফল উপস্থাপন করা হয়, যা ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট প্রকাশিত হয়। জরিপে অংশ নেওয়া মোট ১৫,৫৮১টি খানার মধ্যে, ৭.১ শতাংশ খানা বিভিন্ন মামলার বিচার সংক্রান্ত কাজে বিভিন্ন পর্যায়ের আদালতে বিচারিক সেবা নিয়েছে, আদালতের ধরন হিসেবে দেখা যায়, ৭৭.০ শতাংশ খানা দেওয়ানি আদালত, ২০.২ শতাংশ ফৌজদারি আদালত, ৪.২ শতাংশ খানা উচ্চ আদালত এবং ১.৫ শতাংশ বিশেষ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল থেকে বিচারিক সেবা গ্রহণ...

    • পাসপোর্ট সেবার মানোন্নয়নে করণীয়

      ‘সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ’ টিআইবি’র একটি অন্যতম প্রধান গবেষণা কার্যক্রম। ১৯৯৭ সাল থেকে টিআইবি এই জরিপ ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে আসছে। এই জরিপের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খানাগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি ও মাত্রা নিরূপণ করা এবং জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দিক-নির্দেশনামূলক সুপারিশ প্রদান করা। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের জরিপে অন্তর্ভুক্ত খানাগুলো জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর’ ২০১৭ সময়ে বিভিন্ন সেবাখাত বা প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা গ্রহণকালে যে দুর্নীতির সম্মুখীন হয় তার ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ জরিপে পাসপোর্টসহ ১৫টি খাতের ওপর বিশ্লেষণধর্মী ফলাফল উপস্থাপন করা হয়, যা ৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত হয়।   জরিপে অংশ নেওয়া মোট ১৫,৫৮১টি খানার মধ্যে ৭.৫ শতাংশ খানার কোনো না কোনো সদস্য ২০১৭ সালে পাসপোর্ট সেবা নিয়েছে। এদের মধ্যে ৬৭.৩ শতাংশ দুর্নীতির শিকার হয়েছে এবং ঘুষের শিকার হয়েছে ৫৯.৩ শতাংশ। যেসব খানা ঘুষ বা নিয়ম-বহির্ভূত অর্থ দিয়েছে তাদের গড়ে ২,৮৮১ টাকা দিতে হয়েছে। এছাড়া সেবা গ্রহণকারী খানা সময়ক্ষেপণ (১৬.০%),...

    • ভূমি ব্যবস্থাপনা ও সেবা কার্যক্রমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় করণীয়

      ‘সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ’ টিআইবি’র একটি অন্যতম প্রধান গবেষণা কার্যক্রম। ১৯৯৭ সাল থেকে টিআইবি এই জরিপ ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে আসছে। এই জরিপের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খানাগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি ও মাত্রা নিরূপণ করা এবং জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দিক-নির্দেশনামূলক সুপারিশ প্রদান করা। ২০১৭ সালের জরিপে বিভিন্ন সেবাখাত বা প্রতিষ্ঠান থেকে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর’ ২০১৭ পর্যন্ত নির্বাচিত বাংলাদেশের খানাসমূহ সেবা গ্রহণকালে যে দুর্নীতির সম্মুখীন হয় তার ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ জরিপে ভূমি সেবাসহ ১৫টি খাতের ওপর বিশ্লেষণধর্মী ফলাফল উপস্থাপন করা হয়, যা ৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত হয়।  জরিপে অংশ নেওয়া মোট ১৫,৫৮১টি খানার মধ্যে ১৬.০ শতাংশ খানা বিভিন্ন ধরনের ভূমি সেবা গ্রহণ করেছেন। ভূমি সেবা গ্রহণকারী খানাগুলোর মধ্যে মোট ৪৪.৯ শতাংশ খানা দুর্নীতির শিকার হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এ হার ৪৩.৩ শতাংশ ও শহরাঞ্চলে ৪৬.১ শতাংশ। সেবা গ্রহণকারী খানাগুলোর ৩৭.৯ শতাংশ ঘুষ বা নিয়ম-বহির্ভূত অর্থ দিয়েছে, যার পরিমাণ গড়ে...

    • Policy Brief on NGOs of Bangladesh Funded by Foreign Donations: Governance Challenges and Way Forward

      ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ২ আগস্ট ২০১৮-এ ‘বৈদেশিক অর্থায়নে পরিচালিত এনজিও খাত: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী বাংলাদেশের এনজিও খাতে সাম্প্রতিককালে তথ্য উন্মুক্তকরণ, প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রণয়ন, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহিতা, এবং সরকার ও অনুদান প্রদানকারী সংস্থার নিকট দায়বদ্ধতাসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ও ইতিবাচক চর্চা পরিলক্ষিত হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রণীত নীতিমালা ও নির্দেশিকার কার্যকর প্রয়োগের ঘাটতিসহ এনজিও খাতে সংশ্লিষ্ট আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক এবং সার্বিক আর্থসামাজিক প্রেক্ষিতে চলমান নানা চ্যালেঞ্জও চিহ্নিত করেছে এ গবেষণাটি। চিহ্নিত চ্যালেঞ্জ উত্তরণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের বিবেচনার জন্য টিআইবি নিম্নলিখিত সুপারিশ উপস্থাপন করছে। পলিসি ব্রিফ এখানে  

    • দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে তারুণ্যের ভূমিকা শীর্ষক পলিসি ব্রিফ

      বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ তরুণ-তরুণী, যাদের সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ।  অর্থনীতি ও জনসংখ্যা বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান সময়টা হচ্ছে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের’, অর্থাৎ বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ হচ্ছে কর্মক্ষম তরুণ সমাজ, যাদের শ্রমে ও মেধায় গড়ে উঠতে পারে উন্নত বাংলাদেশ। পরবর্তী প্রজন্ম কেমন বাংলাদেশ পাবে, সেটা বহুলাংশে নির্ভর করছে এই বিপুলসংখ্যক সম্ভাবনাময় তরুণদের ওপর। সহস্রাব্দ উন্নয়ন অভীষ্ট (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের সফলতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার অন্যতম উপায় হচ্ছে, তরুণ প্রজন্মকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে সম্পৃক্ত করা। টেকসই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলো, ক্ষুধা, দারিদ্র্য নিরসন, ও বৈষম্য হ্রাস। অন্য কথায়, ১৭টি অভীষ্টের অধীনে ২৩২টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। সচেতন, সক্রিয়, সৎ ও সাহসী তরুণেরাই পারবে সুশাসন নিশ্চিত করতে। তারা দেশকে দুর্নীতি মুক্ত করার মধ্য দিয়ে টেকসই উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।  পলিসি ব্রিফ এখানে  

    • বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এর সেবা কার্যক্রমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কিছু সুপারিশ

      ‘সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ’ টিআইবি’র একটি অন্যতম প্রধান গবেষণা কার্যক্রম। ১৯৯৭ সাল থেকে টিআইবি এই জরিপ  ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে আসছে। এই জরিপের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খানাগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি ও মাত্রা নিরূপণ করা এবং জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দিক-নির্দেশনামূলক সুপারিশ প্রদান করা। ২০১৭ সালের জরিপে অন্তর্ভুক্ত খানাগুলো জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর’ ২০১৭ সময়ে বিভিন্ন সেবাখাত বা প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা গ্রহণকালে যে দুর্নীতির অভিজ্ঞতা হয় তার ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জরিপে বিআরটিএসহ ১৫টি খাতের ওপর বিশ্লেষণধর্মী ফলাফল উপস্থাপন করা হয়, যা ৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত হয়।  পলিসি ব্রিফ এখানে  

    • বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় উন্মুক্ত স্কুল তথ্যের ব্যবহার: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে করণীয়

      বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকারি ও নাগরিক উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম লক্ষ করা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে স্কুল মনিটরিং বোর্ড, মা সমাবেশ, অভিভাবক সমাবেশ, সিটিজেন চার্টার ইত্যাদি। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে উন্মুক্ত তথ্য বোর্ড, সিটিজেন রিপোর্ট কার্ড, অংশগ্রহণমূলক মা ও অভিভাবক সমাবেশ, স্যাটেলাইট তথ্য ও পরামর্শ ডেস্ক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে সভা ইত্যাদি। নাগরিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেশের ৩৭টি জেলা ও ৮টি উপজেলাসহ মোট ৪৫টি এলাকায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর মাধ্যমে এবং ক্যাম্পেইন ফর পপুলেশন এডুকেশন (ক্যাম্পে) তার নির্বাচিত এলাকার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্যের উন্মক্তকরণ ও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এসব সরকারি এবং নাগরিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে উন্মুক্ত তথ্যের তুলনামূলক অবদান সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণার অনুপস্থিতি রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় তথ্যের উন্মুক্তকরণে সরকারি ও...

    • আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সুশাসন নিশ্চিতে কিছু সুপারিশ

      আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা, আইন লঙ্ঘনকারীকে বিচারের আওতায় আনা, শান্তি ও জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহের (থানা পুলিশ, র‌্যাব, ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, আনসার, ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সিআইডিসহ অন্যান্য বাহিনী যেমন, রেলওয়ে পুলিশ) প্রধান কাজ। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও এ সংক্রান্ত আইন-কানুন বাস্তবায়ন করে থাকে। এ সকল কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রত্যক্ষভাবে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ২০১২ এর আওতাভুক্ত না হলেও, আইনের রক্ষক ও রাষ্ট্রের অতীব গুরত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহে শুদ্ধাচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এই সংস্থাসমূহের নিজেদের তথা জাতীয় প্রত্যাশা। টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অনুযায়ী বিশেষ করে অভিষ্ট ১৬ এর ১৬.৩, ১৬.৪, ১৬.৫, ১৬.৬ এবং ১৬.১০ অনুযায়ী আইন রক্ষাকারী সংস্থাসমূহের সুশাসন...

    • Policy Brief on Shah Amanat International Airport Chittagong: Governance Challenges of Passenger Service activities and Way Forward

      শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চট্টগ্রাম, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর। দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর এবং শিল্পসমৃদ্ধ অঞ্চলে  এ বিমানবন্দরের অবস্থান। এই বিমানবন্দর অভ্যন্তরীণ রুটসহ মধ্যপ্রাচ্য-দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নয়টি আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের সেবা প্রদান করছে। বিশেষত চট্টগ্রাম এবং এর পাশাপাশি কয়েকটি জেলার প্রবাসী যাত্রীরা যাতায়াতের জন্য এ বিমানবন্দরের ওপর নির্ভরশীল। বিমানবন্দরের আশেপাশে তিনটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পের অবস্থানের কারণে এ বিমানবন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।  পলিসি ব্রিফ এখানে  

    << < 1 2 3 4 5 6 7 > >> (7)

Policy Brief List