• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Fact Finding Studies by year


  • Fact Finding Studies

    • Good Governance in RMG Sector: Progress and Challenges - Executive Summary (English)

      The Rana Plaza accident has been regarded as a stark example of good governance deficits and corruption in the Ready Made Garment (RMG) sector in Bangladesh. After this accident, national and international stakeholders gave special attention to improve governance in this sector. At the same time, TIB conducted a research (October 2013) to identify governance challenges responsible for such accidents and compliance deficits in the RMG sector. The study revealed some governance challenges that include lack of coordination among relevant stakeholders, negligence of duties of duty bearers, political influence, collusive nature of corruption in this sector. Executive Summary here  

    • Good Governance in RMG Sector: Progress and Challenges - Full Report (Bangla)

      তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নে মূল ভূমিকা রেখেছে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তৈরি পোশাক খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ হতে প্রায় ২৮.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয় যা দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮১.৩%। ২০১৪-১৫ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে তৈরি পোশাকখাতের অবদান ছিলো প্রায় ১৪.৫% এবং প্রায় ৪৪ লক্ষ শ্রমিক সরাসরি তৈরি পোশাকখাতের সাথে জড়িত রয়েছে। একইসাথে, এ খাত নারী কর্মসংস্থানে মূল ভূমিক পালন করছে-প্রায় ৮০% নারী শ্রমিক এ শিল্পে কাজ করেন। প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় কর্ম-সংস্থানকারী এবং দেশের অর্থনীতির মেরুদ- হিসেবে বিবেচিত এ খাতে দেশের অন্যান্য খাতের মতই সুশাসনের বিভিন্ন সমস্যা বিদ্যমান। মূল প্রতিবেদন  

    • Good Governance in RMG Sector: Progress and Challenges - FAQ (Bangla)

      FAQ এখানে  

    • Good Governance in RMG Sector: Progress and Challenges - Executive Summary (Bangla)

      রানা প্লাজার দুর্ঘটনা বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতে সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্নীতির দৃশ্যমান উদাহরণ হিসেবে পরিগণিত। এ দুর্ঘটনার পর দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীজন এ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেয়। টিআইবি’র (অক্টোবর ২০১৩) গবেষণায় এ খাতে দুর্ঘটনা ও কমপ্লায়েন্স ঘাটতির অন্যতম কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, দায়িত্বে অবহেলা, রাজনৈতিক প্রভাব, পারস্পরিক যোগ-সাজশে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিকে চিহ্নিত করা হয় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২৫ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন অংশীজন কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য টিআইবি ধারাবহিক ভাবে তিনটি ফলো আপ গবেষণা পরিচালনা করে, যেখানে তৈরি পোশাক খাতে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে ৬৩টি বিষয় চিহ্নিত করা হয় এবং ৫৪ টি বিষয়ে ১০২ টি উদ্যোগ পর্যালোচনা করা হয়। এ গবেষণা তিনটিতে দেখা যায় রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পরবর্তী চার বছরে সরকার ও বিভিন্ন অংশীজন কর্তৃক ধারাবহিক ভাবে এ সকল উদ্যোগ বাস্তবায়ন অগ্রগতি চলমান রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় টিআইবি রানাপ্লাজা পরবর্তী গৃহীত উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের বর্তমান অগ্রগতি...

    • Good Governance in RMG Sector: Progress and Challenges - Presentation (Bangla)

      উপস্থাপনা এখানে  

    • Shah Amanat International Airport Chittagong: Governance Challenges of Passenger Service activities and Way Forward - Full Report (Bangla)

      শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর এবং এটি দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর ও শিল্পসমৃদ্ধ অঞ্চলে অবস্থান হওয়ায় বিমানবন্দর ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে ৪.৯৪ গুণ এবং ফ্লাইট সংখ্যা বেড়েছে ৩.১৫ গুণ। চট্টগ্রাম একটি প্রবাসী নিবিড় জেলা। ২০০৫-২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রবাসী কর্মসংস্থানের দিক থেকে চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান বাংলাদেশে দ্বিতীয়, এ সময় চট্টগ্রাম জেলার মোট ৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫৪৬ জন কর্মী প্রবাসে কর্মসংস্থান লাভ করেছে। চট্টগ্রাম এবং এর পাশাপাশি কয়েকটি জেলার প্রবাসী যাত্রীরা যাতায়াতের জন্য এ বিমানবন্দরের উপর নির্ভরশীল। বিমানবন্দরের আশেপাশে তিনটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পের অবস্থানের কারণে এ বিমানবন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মধ্যপ্রাচ্য-দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নয়টি আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের সেবা প্রদান করছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রুটেও যাত্রীসেবা দিচ্ছে। সাতটি দেশে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করে; ভারত, মালয়েশিয়া,...

    • Shah Amanat International Airport Chittagong: Governance Challenges of Passenger Service activities and Way Forward - Executive Summary (Bangla)

      শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর এবং এটি দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর ও শিল্পসমৃদ্ধ অঞ্চলে অবস্থান হওয়ায় বিমানবন্দর ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ২০০০ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে ৪.৯৪ গুণ এবং ফ্লাইট সংখ্যা বেড়েছে ৩.১৫ গুণ। চট্টগ্রাম একটি প্রবাসী নিবিড় জেলা। ২০০৫-২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রবাসী কর্মসংস্থানের দিক থেকে চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান বাংলাদেশে দ্বিতীয়, এ সময় চট্টগ্রাম জেলার মোট ৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫৪৬ জন কর্মী প্রবাসে কর্মসংস্থান লাভ করেছে। চট্টগ্রাম এবং এর পাশাপাশি কয়েকটি জেলার প্রবাসী যাত্রীরা যাতায়াতের জন্য এ বিমানবন্দরের উপর নির্ভরশীল। বিমানবন্দরের আশেপাশে তিনটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পের অবস্থানের কারণে এ বিমানবন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মধ্যপ্রাচ্য-দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ৯টি আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীদের সেবা প্রদান করছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রুটেও যাত্রীসেবা দিচ্ছে। স্বল্প পরিসরে কার্গো পরিবহন সেবাও দিচ্ছে। বৃহত্তর চট্টগ্রামের...

    • Shah Amanat International Airport Chittagong: Governance Challenges of Passenger Service activities and Way Forward - Presentation (Bangla)

      উপস্থাপনা এখানে  

    • Divisional Passport and Visa Office, Barisal: Governance Challenges and Way-forward on Passport Service - Full Report (Bangla)

      বরিশাল অঞ্চলের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠাগুলোর মধ্যে বরিশাল পাসপোর্ট অফিসের সেবা একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা হিসেবে বিবেচিত। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস ১৯৮১ সালে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। এই সময়ে বরিশাল পাসপোর্ট অফিস বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার জনগণের সেবা প্রদান করত। ২০১০ সালে বরিশাল বিভাগের আওতাধীন জেলাগুলোর পাসপোর্ট অফিসসমূহের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন ও তদারকির লক্ষ্যে বরিশাল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকে বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস হিসেবে উন্নীত করা হয়। ২০১৪ সালে বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, বরিশাল নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ এলাকায় অবস্থিত। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস এই জেলার দশটি উপজেলা, ছয়টি পৌরসভা এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মোট ২৩,২৪,৩১০ জন নাগরিকের সেবা প্রদানে নিয়োজিত। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস নভেম্বর ২০১৫ থেকে অক্টোবর ২০১৬ সময়ে ৩০,০১৪টি পাসপোর্ট ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সাধারণ আবেদনের ভিত্তিতে ২৫,৯০৩টি এবং জরুরী আবেদনের ভিত্তিতে ৪,১১১টি।  এ অফিস হতে গড়ে প্রতিদিন ১২৪টি পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।  ২০১৩-১৪ হতে ২০১৫-১৬ পর্যন্ত ৩টি...

    • Divisional Passport and Visa Office, Barisal: Governance Challenges and Way-forward on Passport Service - Executive Summary (Bangla)

      বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, বরিশাল একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান । এই প্রতিষ্ঠান বরিশাল জেলার আওতাভূক্ত সিটি কর্পোরেশন, ছয়টি পৌরসভা ও দশটি উপজেলার জনগণের পাসপোর্ট সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছে। ১৯৮১ সালে এটি অঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এ সময়ে বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরসহ মোট ৬টি জেলার জনগণের সেবা প্রদান করত। বর্তমানে সকল জেলায় পাসপোর্ট অফিস প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এ অফিসের সেবাদানের আওতা বরিশাল জেলায় বসবাসরত জনসাধারনের মধ্যে সীমিত। ২০১০ সালে বরিশাল বিভাগের আওতাধীন জেলাগুলোর পাসপোর্ট অফিসসমূহের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির লক্ষ্যে এটিকে বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস হিসেবে উন্নীত করা হয় এবং ২০১৪ সালে বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ এলাকায় নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু করে। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস হতে নভেম্বর ২০১৫ থেকে অক্টোবর ২০১৬ সময়ে ৩০,০১৪ টি পাসপোর্ট প্রদান করা হয়। এর মধ্যে সাধারণ আবেদনের ভিত্তিতে পাসপোর্ট ইস্যু হয় ২৫,৯০৩টি এবং জরুরী আবেদনের ভিত্তিতে ৪,১১১টি। কর্মদিবস হিসেবে বরিশাল পাসপোর্ট অফিস থেকে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১২৪টি পাসপোর্ট ইস্যু...

    << < 1 2 3 4 5 6 7 > >> (7)

Fact Finding Studies List