• header_en
  • header_bn

 

Corruption increases poverty and injustice. Let's fight it together...now

 

Studies by year


  • Research & Policy

    • করোনা ভাইরাস সংকট মোকাবিলায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ

      দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তারের পূর্বে প্রস্তুতি নেয়ার মত পর্যাপ্ত সময় পাওয়ার পরও ভাইরাসটি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রমে সুশাসনের প্রতিটি নির্দেশকে ব্যাপক ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ঘাটতি এবং বিভ্রান্তিকর ও পরস্পরবিরোধী নানা কর্মকান্ডের কারণে দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। এছাড়া এই সঙ্কটকালে দীর্ঘসময়ের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা, সুশাসনের ঘাটতি ও অপ্রতুল বাজেট বরাদ্দের কারণে স্বাস্থ্যখাতের দুর্বলতা আরো গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।  বিস্তারিত জানতে নিচে ক্লিক করুন মূল প্রতিবেদন (বাংলা) সার-সংক্ষেপ (বাংলা) Executive Summary (English) উপস্থাপনা FAQ Virtual Press Conference (Video Link)...

    • Policy Brief on Primary Education: Governance Challenges and Way Forward

      দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে সার্বজনীন, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে সরকার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ, সুবিধাবঞ্চিত, স্কুল-বহির্ভূত, ঝরে পড়া এবং শহরের কর্মজীবী দরিদ্র শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনার জন্য প্রকল্প গ্রহণ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা নীতির খসড়া ও শিক্ষা আইন, ২০১৩ সহ বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে শিশু ভর্তি ও প্রাথমিক শিক্ষা চক্র সমাপনীর হার বৃদ্ধি, ঝরে পড়ার হার হ্রাস, ছেলে-মেয়ের সংখ্যাসাম্য বৃদ্ধি, নারী শিক্ষক নিয়োগের হার বৃদ্ধি, সর্বজনীন সমাপনী পরীক্ষা প্রচলন, তথ্য-প্রযুক্তির সন্নিবেশ, সঠিক সময়ে বই প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন অগ্রগতি লক্ষণীয়। প্রাথমিক শিক্ষা খাতে গৃহীত এ সকল অগ্রগতি থাকলেও এ খাতে সুশাসনের ক্ষেত্রে নানাবিধ ঘাটতি এবং তার ফলে বহুমাত্রিক দুর্নীতি বিদ্যমান থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষণা ও অধিপরামর্শ সভায় প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বিরাজমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ...

    • Assessment of Bangladesh Anti-Corruption Commission 2018

      Transparency International (TI) undertook an initiative aimed at strengthening anti-corruption agencies (ACAs) in the Asia Pacific Region. This initiative comprised activities that included assessments of ACAs with sustained engagement, dialogue and advocacy at both national and regional levels. As part of this initiative Transparency International Bangladesh (TIB) carried out an assessment of the Anti-Corruption Commission (ACC) of Bangladesh between November 2015 and April 2016. The study aimed at providing the ACC with up-to-date information regarding its performance and opportunities for improvement and providing all stakeholders committed to tackling corruption in the country a better understanding of the enabling and disabling factors which affect the ACC’s efficacy. The findings of the assessment were shared with ACC high officials in March 2016 and later released through a press conference. In the following years the ACC undertook a number of initiatives with an aim to...

    • Employment of Expatriates in Bangladesh: Governance Challenges and Way-out

      People of different capabilities move to other parts of the world to meet up the gap between the demand and supply of their technical and managerial knowledge. Developing countries with emerging markets usually attract more competent professionals to fill-up the assumed void of required technical and managerial knowledge. In course of gradual economic development of Bangladesh, the number of expatriates working here are also growing. Bangladesh is well known for international migration – on one hand it is the 6th largest origin of international migrants in 2019,  while on the other hand a large number of foreign nationals are also working in Bangladesh.  Historical data of sectoral contribution to gross-domestic product (GDP) of Bangladesh suggests that it is gradually moving from an agrarian to an industrial economy. The share of agriculture in the GDP declined from 31% in 1985 to 14% in 2018. In contrast, the share of the service sector increased from 49% to 52%, and the share of...

    • Rajdhani Unnayan Kartripakkha (RAJUK): Governance Challenges and Way forward

      Rajdhani Unnayan Kartripakkha (RAJUK) is the prime authority to build its area jurisdiction as a planned, livable and environment friendly city. It is an autonomous body. RAJUK is entitled with the responsibility of planning, developing and controlling development of the areas under its jurisdiction. One of the Sustainable Development Goals (SDGs) of the United Nations is that, sustainable development is not achievable ‘without significantly transforming the way we build and manage our urban spaces’ (Goal 11). The global body emphasizes on ‘making cities and human settlements inclusive, safe, resilient and sustainable. It is targeted to ensure access for all- to adequate, safe and affordable housing and basic services (Target 11.1), to enhance inclusive and sustainable urbanization (Target 11.3), to provide universal access to safe, inclusive and accessible, green and public spaces (Target 11.7), to adopt and implement integrated policies and plans (Target 11b) etc. (UN, 2015)....

    • CORRUPTION PERCEPTIONS INDEX 2019

      বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচক (করাপশন পারসেপশনস্ ইনডেক্স বা সিপিআই) ২০১৯ অনুযায়ী সূচকের ০-১০০ এর স্কেলে বাংলাদেশের স্কোর ২৬ যা সিপিআই ২০১৮ এর তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে। সূচকে ৮৭ স্কোর পেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। ৮৬ পয়েন্ট পেয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড; এবং তৃতীয় স্থানে একই স্কোর ৮৫ নিয়ে যৌথভাবে রয়েছে সিঙ্গাপুর, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। ৯ স্কোর পেয়ে ২০১৯ সালে গতবারের মত এবারও তালিকার সর্বনিম্নে অবস্থান করছে সোমালিয়া। ১২ স্কোর পেয়ে তালিকার নিম্নক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদান; এবং ১৩ স্কোর পেয়ে তৃতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে সিরিয়া।  বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন  Full Report Global Index Asia Pacific Index Long Methodology Note  Short Methodology Note FAQ Presentation CPI 2019 Booklet (Bangla)  

    • Forcibly Displaced Myanmar Nationals (Rohingya) in Bangladesh: Governance Challenges and Way out

      The intrusion of forcibly displaced Myanmar nationals (Rohingya) in Bangladesh is a long-standing crisis. During the period between 1978 and 2017, the Rohingya people took shelter in Bangladesh after fleeing from torture and repression of the Myanmar government. In 1978, some 2,00,000 Rohingyas came to Bangladesh, among whom 1,80,000 returned through bi-lateral discussion and repatriation process, 10,000 died, and 10,000 remained missing.  In 1982, the Rohingyas were discarded from citizenship in the newly adopted citizenship law by the  Myanmar government, following which a stressful relationship was created between the government and Rohingyas. The influx continued and more Rohingyas came in 1991, 2012, 2014 and 2016. In August of  2017, the influx was massive in terms of volume and time. About 80% of them were women and children.  The United Nations has called the Rohingyas “the world’s most persecuted minority group” and described the atrocities by Myanmar’s authorities as “ethnic...

    • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ওয়ারশো ইন্টারন্যাশনাল মেকানিজম ফর লস অ্যান্ড ড্যামেজ: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং শুদ্ধাচার নিশ্চিতে টিআইবি’র প্রস্তাব

      জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ধীরে ধীরে (স্লো অনসেট ইভেন্ট)বা আকস্মিক (এক্রট্রিম ইভেন্ট) দুর্যোগের কারণে সংঘটিত ক্ষয়-ক্ষতির (Loss and Damage) বিষয়টি উন্নয়নশীল এবং উন্নত দেশের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। তবে এই ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির ঘটনা ও প্রভাব বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপ্রবণ দেশে অনেক প্রকটতর, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সংঘটিত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রায় ২৮২৬.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছে , যা আমাদের বিদ্যমান অভিযোজন এবং প্রশমন কার্যক্রমের মাধ্যমে মোকাবেলা ও এড়ানো সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, টিআইবির সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায়, বন্যার কারণে আক্রান্ত পরিবার প্রতি গড়ে ১৭,৮৬৩ টাকার (২১০ ডলার) ক্ষতি হয়েছে। এই ধরনের ক্ষয়-ক্ষতি মোকাবেলার জন্য২০১৩ সালে ওয়ারশো ইন্টারন্যাশনাল মেকানিজম ফর লস অ্যান্ড ড্যামেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ওয়ারশো মেকানিজমের আওতায় এই ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির বিপরীতে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি প্যারিস চুক্তির ৮ নং অনুচ্ছেদের মাধ্যেমে পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ধীরে ধীরে এবং আকস্মিক...

    • স্পেনের মাদ্রিদে আসন্ন কপ-২৫ জলবায়ু সম্মেলন: জলবায়ু অর্থায়নে দূষণকারী শিল্পোন্নত দেশসমূহের প্রতিশ্রতির বাস্তব অগ্রগতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি টিআইবি’র

      জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসি) এর আওতায় ২০১৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি সম্পাদন করে, যা ২০২০ সাল হতে কার্যকর হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে কোপেনহেগেন চুক্তির আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশসমূহের ক্ষতিপূরণ বাবদ উন্নত দেশসমূহ "দূষণকারী কর্তৃক পরিশোধযোগ্য” নীতি অনুসরণে উন্নয়ন সহায়তার ‘অতিরিক্ত’ এবং ‘নতুন’ হিসেবে ২০২০ সাল হতে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের যে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল প্যারিস চুক্তির আওতায় ২০২৫ সাল পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ১৩ এর আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রতিশ্রুত তহবিল প্রদানের বিষয়ে শিল্পোন্নত দেশসমূহ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর পাশাপাশি ২০১৩ সালে ইউএনএফসিসি’র কনফারেন্স অব পার্টিস (কপ) এর ১৯তম সম্মেলন (কপ১৯) এ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ঝুঁকিতে থাকা উন্নয়নশীল দেশসমূহের ‘ক্ষয়-ক্ষতি’ (loss & damage) মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরির সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় (সিদ্ধান্ত ২/সিপি.১৯)। পরবর্তীতে কপ২২ সম্মেলনে ক্যানকুন...

    • Policy Brief on Governance Challenges in Land Deed Registration Service and Way Forward

      ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের সহায়ক হিসেবে বহুমুখী গবেষণা ও গবেষণা ভিত্তিক অধিপরামর্শ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় টিআইবি সম্প্রতি “ভূমি দলিল নিবন্ধন সেবায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়” শীর্ষক একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে যা ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়।  এ গবেষণায় দেখা যায় যে, ভূমি দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতির পাশাপাশি আইনি কাঠামোতে কিছু ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা ও স্ববিরোধিতা, আইন প্রয়োগে সীমাবদ্ধতা, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ঘাটতি, জনবল স্বল্পতা, অপ্রতুল লজিস্টিকস ও আর্থিক বরাদ্দ, দুর্বল অবকাঠামো, ডিজিটাইজেশনের ঘাটতিসহ সুশাসনের ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এছাড়া দলিল নিবন্ধনে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে নিয়ম-বহির্ভূত অর্থ আদায় করা হয়। এই আর্থিক দুর্নীতির সাথে বিভিন্ন অংশীজনের পারস্পরিক যোগসাজশ থাকায় অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতা কাঠামো যথাযথভাবে কাজ করে না এবং ভূমি নিবন্ধন সেবার প্রায় প্রতিটি পর্যায়েই অনিয়ম-দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। এর...

    << < 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 > >> (56)