YES: YES Policy

ইয়েস নীতিমালা (খসড়া)

ইয়েস কি ?

ইয়ুথ এনগেজমেন্ট এন্ড সাপোর্ট বা ইয়েস হলো টিআইবি’র উদ্যোগে পরিচালিত একটি কর্মসূচি যা দুর্নীতিবিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাংলাদেশের তরুণদের স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সংগঠিত করে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে তাদেরই স্ব-উদ্যোগে গৃহীত সকল দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করে এবং এগুলোর মধ্যে একটি সমধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য সমন্বয় সাধন করেতরুণসমাজকে দুর্নীতিবিরোধী একটি মঞ্চে সংগঠিত করা এবং তাদের গৃহীত দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা এর অন্যতম লক্ষ্য

ইয়েস কেন ?

মূলত তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে ইয়েস পরিচালিত হয়-

  • দুর্নীতির ব্যাপকতা সম্পর্কে বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে সচেতন করা এবং দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করা
  • তরুণদের মাঝে নৈতিকতা ও অন্যান্য গুণাবলীর বিকাশ সাধন করে নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করা যে নেতৃত্ব দেশকে দুর্নীতি ও দারিদ্র্যমুক্ত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে
  • তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাতে করে তারা শিক্ষা এবং পরবর্তীতে তাদের কর্মজীবনে দুর্নীতিকে প্রতিহত করতে পারে

ইয়েস কারা ?

  • বাংলাদেশের সকল তরুণ এবং বিশেষত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ণরত ছাত্র-ছাত্রী ইয়েস সদস্য হতে পারেন
  • ঢাকা ইয়েস গ্রুপের নামকরণ হবে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক, যেমন: ইয়েস গ্রুপ- ইবাইস ইউনিভার্সিটি
  • এক্ষেত্রে যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর তারা প্রাধান্য পাবেন
  • বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ও টিআইবি’র অনুমোদনক্রমে ইয়েস সদস্য হতে পারেন
  • ইয়েস সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে জেন্ডার, ধর্মীয় ও আদিবাসী প্রতিনিধিত্ব ও সমতা বিশেষভাবে বিবেচ্য হবে

ইয়েস গ্রুপ বা একক সদস্যপদ বাতিল:

  • টিআইবি’র মিশন, ভিশন বা নৈতিক আচরণবিধির পরিপন্থী কোন কাজ কোন গ্রুপ বা সদস্যের দ্বারা সংগঠিত হলে টিআইবি লিখিতভাবে তার সদস্যপদ বাতিল করতে পারবেএছাড়াও কোন সদস্য যদি সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত হন বা বাংলাদেশ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধের বিপক্ষের কোন কার্ক্রমে জড়িত বলে প্রমাণিত হন তবে টিআইবি তার সদস্যপদ বাতিল করতে পারবেএকই কারণে ইয়েস গ্রুপের উপদেষ্টার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে উপদেষ্টাপদ বাতিল করা যাবে
  • কোন ইয়েস গ্রুপ যদি পরপর ছয় মাস নিয়মিত সভা করতে বা কোন কার্ক্রম গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে উক্ত গ্রুপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে টিআইবি পুনর্গঠন, গ্রুপ লিডার পরিবর্তন, স্থগিতকরণ, বাতিলসহ যে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে
  • কোন ইয়েস সদস্য যদি কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়া পরপর তিনটি মাসিক সভায় উপস্থিত এবং কার্ক্রমে অংশগ্রহণ না করেন তবে তার সদস্যপদ বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্র“প সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেতবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইয়েস সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে ৩ মাসের   র্পযবক্ষেণে রাখা যেতে পারে
  • ফ্রেন্ডস ফোরাম ও এর সদস্যদের ক্ষেত্রেও উল্লেখিত নীতি প্রযোজ্য হবে
  • যদি কোন ইয়েস সদস্য রাষ্ট্র বা আইনবিরোধী অথবা কোন অপরাধমূলক কাজ করে এবং তা প্রমাণিত হয় তাহলে তার দায়িত্ব টিআইবি গ্রহণ করবে নাএ ক্ষেত্রে অভিযুক্ত সদস্যের পদ বাতিল বলে বিবেচিত হবে

নীতিমালার পরিবর্তন ও সংশোধন

  • এই নীতিমালাটি একটি চলমান ডকুমেন্ট বা দলিল যা টিআইবি’র পরিবর্তন - ড্রাইভিং চেইঞ্জ প্রকল্পের সময়কাল পর্যন্ত প্রযোজ্য হবেপ্রকল্প শেষে নতুন প্রকল্পের জন্য একে গ্রহণ করা যেতে পারে
  • টিআইবি এই নীতিমালা বা এর যে কোন অনুচ্ছেদের যে কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংশোধনের সুপারিশ করতে পারে